ত্রিদেশীয়
টি-টোয়েন্টি
টুর্নামেন্ট
স্পোর্টস রিপোর্টার
এক জন লেগস্পিনার খুঁজছে বাংলাদেশ অনেক দিন ধরেই। এই খোঁজ থেকে দলে এসেছিলেন জুবায়ের হোসেন লিখন। তিনি বেশি দিন থাকতে পারেননি। এরপর ব্যাটসম্যান তানভীর হায়দার মোটামুটি লেগস্পিন করতে পারেন বলে তাকেও নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই একই পথে জাতীয় দলে এলেন আমিনুল বিপ্লব।
মূলত ব্যাটসম্যান হলেও গতকাল তার অভিষেক হলো লেগস্পিনার হিসেবে। এ ছাড়া গতকাল টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর। আর একাদশে ঢুকেছেন পেসার শফিউল ইসলাম।
অবশ্য এই দলে আসা নতুন তিন জন নন, বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসটা রাঙিয়ে রাখলেন তিন ‘পুরোনো’ খেলোয়াড়। শুরুটা করে দিয়ে গেলেন লিটন দাস। এরপর বাংলাদেশের স্কোরটা বড়ো করলেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
অভিষিক্ত শান্তকে নিয়ে ইনিংস শুরু করতে গিয়েছিলেন লিটন। শান্ত এক প্রান্তে তার নামের মতোই চুপচাপ ছিলেন। অন্য প্রান্তে ঝড় তোলেন লিটন। শান্ত ৯ বলে ১১ রান করে ফিরে আসেন কাইল জার্ভিসের বলে। লিটন পরপরই ফিরলেও তার নামের পাশে ছিল ৩৮ রান। ২২ বলে চারটি ৪ ও দুটি ছক্কায় ৩৮ রান করে ফেরেন লিটন।
দলীয় স্কোর ১০ রান বাড়তেই অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও ফিরে আসেন। তিনি ৯ বলে ১০ রান করে ফেরেন। এরপর মুশফিক ও রিয়াদ একটা ভালো জুটি করেন।
দুই জনে ৭৮ রান যোগ করেন। এর মধ্যে রিয়াদ বেশি মারকুটে ছিলেন। মুশফিক এক প্রান্তে বারবার রিভার্স সুইপ খেলার চেষ্টা করে গেছেন। তার পরও রান এসেছে। ২৬ বলে তিনটি ৪ ও একটি ছক্কায় ৩২ রান করে ফেরেন সাবেক এই অধিনায়ক।
মুশফিক আউট হওয়ার পর আফিফ এসেও বড়ো কিছু করতে পারেননি। শেষের ওভারগুলোতে রান তোলার তাড়ায় মাত্র সাত রান করে ফিরে আসেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৬২ রান করে আউট হয়ে যান রিয়াদ। ৪১ বলে পাঁচটি ছক্কা এবং একটি মাত্র চারে এই ইনিংস খেলেন রিয়াদ। এটি ছিল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রিয়াদের চতুর্থ ৫০ পার করা ইনিংস। মাত্র দুই রানের জন্য নিজের সর্বোচ্চ ইনিংসটা স্পর্শ করতে পারেননি।
২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকায় ৪৮ বলে ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন রিয়াদ। এ ছাড়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০১৬ সালে ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৭ সালে ফিফটি করেছেন রিয়াদ।