বর্ডারহাটের সময় বৃদ্ধিকরণ, বিক্রয়যোগ্য পণ্যের প্রকার বাড়ানোসহ বিভিন্ন বিষয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বর্ডারহাট ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার বালিয়ামারী ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কালাইরচর সীমান্তে অবস্থিত বর্ডারহাট চত্বরে তিন ঘণ্টাব্যাপী এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. সুলতানা পারভীনের নেতৃত্বে অংশ নেন জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম আজাদ, কুড়িগ্রামের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জিলুফা সুলতানা, চর রাজীবপুরের ইউএনও মেহেদী হাসানসহ প্রতিনিধিদল।
ভারতীয় পক্ষে মেঘালয় রাজ্যের আমপাতি গাড়োহিল সাউথওয়েস্টের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী রাম কুমার আইএএস এর নেতৃত্বে অংশ নেন বিএসএফর সেক্টর কমান্ডার জেপি চৌহান, পুলিশ সুপার তরুণ রবী, আইপিএস ঋতুরাজ রবীসহ প্রতিনিধিদল। এ সময় বর্ডারহাটের মানোন্নয়নে বিজিবি-বিএসএফ নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য অস্থায়ী শেড নির্মাণ, বর্ডারহাটের সময় বৃদ্ধিকরণ, পণ্যের প্রকার বাড়ানো, হাটের রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধন এবং বিক্রয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
যৌথসভায় বর্ডারহাটের সময় বাড়িয়ে সপ্তাহে এক দিন থেকে বৃদ্ধি করে সপ্তাহে সোমবার ও বুধবার দুই দিন হাট বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হাটের সময়সীমা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টার পরিবর্তে বিকাল ৩টা পর্যন্ত করা হয়। এছাড়া বিজিবি-বিএসএফর জন্য অস্থায়ী শেড নির্মাণ, বিক্রয়যোগ্য পণ্যের প্রকারভেদ বাড়ানো, হাট রক্ষণাবেক্ষণ ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
প্রায় সাড়ে তিন বছর পর দুই দেশের সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির যৌথসভা অনুষ্ঠিত হলো। হাটে নির্ধারিত আইডিকার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের ২৫ জন বিক্রেতা ও ৬১৪ জন ক্রেতা এবং ভারতের ৫০ জন বিক্রেতা ও ৩৫৯ জন ক্রেতা পণ্য কেনাবেচা করতে পারেন।