খুলনায় কিশোরী হত্যা দুই জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

খুলনা অফিস

খুলনা মহানগরীর খালিশপুর বাস্তুহারা কলোনির এক কিশোরীকে গণধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায়ে দুই জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নগরীর খালিশপুর থানার বাস্তুহারা কলোনির মো. বাবুল হাওলাদার ওরফে কালা বাবুল (৩৮) ও এমদাদ হোসেন (৩৭)। মামলায় বাকি চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক মোহা. মহিদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। এসময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় নগরীর খালিশপুর থানার বাস্তুহারা কলোনির বাসিন্দা মো. ইমাম হোসেনের ১৪ বছরের কিশোরী মেয়ে আফসানা মিমি ঝাঁলমুড়ি কিনতে বাইরে যায়। পরে সে বাড়ি ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ইমাম হোসেন ঐ রাতেই খালিশপুর থানায় জিডি করেন। পরদিন বেলা ৩টার দিকে স্থানীয় মাদ্রাসার খাদেম কুদ্দুস আফসানা মিমির লাশ বাস্তুহারা দিঘিতে পেয়ে তার পিতা ইমাম হোসেনকে খবর দেন। এ ঘটনায় ইমাম হোসেন খালিশপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

২০১০ সালের ২৩ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোকাদ্দেশ আলী আদালতে ছয় জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জন সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ। বাদীপক্ষে ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার খুলনা জেলা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মো. মোমিনুল ইসলাম।