আগামীতে সব ধরনের নির্বাচনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। শুক্রবার সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তিনি এ কথা বলেন।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, এক সময় উপজেলা নির্বাচন অফিস ছিল না। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সম্বল ছিল একটি ব্যাগ আর যাতায়াতের বাহন ছিল রিকশা। এখন সে অবস্থা নেই। আপনাদেরকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে, তা প্রয়োগ করতে হবে। আমরা যদি নিজেরা শক্তিশালী না হই তাহলে কি হবে? তিনি বলেন, আমরা এখন স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচনে বাইরের কাউকে দায়িত্ব দেই না। আগামীতে সব ধরনের নির্বাচনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আপনাদের প্রস্তুত হতে হবে। এজন্য আপনারা ধীরে ধীরে নিজেদেরকে যোগ্য করে তুলুন।
স্মার্টকার্ড নিয়ে ফ্রান্সের কোম্পানির সমালোচনা করে সিইসি বলেন, ২০১৭ সাল থেকে তারা আমাদের যন্ত্রণা দিয়েছে। সকালে এক কথা আর বিকেলে আরেক কথা বলেছে। তারা আমাদের ডাটাবেইজও ব্যবহার করতে চেয়েছে কিন্তু আমরা তা দেইনি। কোম্পানিটি ভেবেছিল তারা না থাকলে হয়তো আমরা আর নাগরিকদের স্মার্টকার্ড দিতে পারব না। কিন্তু গর্বের বিষয় হলো এটি এখন আমাদের দেশের ছেলেরা তৈরি করছে।
রোহিঙ্গা ভোটার বিষয়ে তিনি বলেন, দুই-একজনের কর্মকাণ্ডের জন্য অনেক সময় কমিশনকে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়। বিষয়টি লক্ষ্য রেখে সবাইকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে। ভালো কাজ করলে সেটারও প্রশংসা হয়।
নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিকেল ৩টা থেকে অ্যাসোসিয়েশনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।