সৌদি আরবে সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সৌদি আরবে সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ সংক্রান্ত এক আদেশে অনুমোদন দিয়েছেন। সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে সেনাসহ সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন। সৌদি ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যে কোনো ধরনের হামলাকারীকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। খবর রয়টার্সের

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সৌদি আরবের অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেনা মোতায়েনের আবেদনে অনুমোদন দিয়েছেন। আকাশ এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছি। তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো কঠোর করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের দুটি তেল ক্ষেত্রে গত ১৪ সেপ্টেম্বরের হামলার জবাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে শুক্রবার মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও উন্নয়ন তহবিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

কড়া হুমকি ইরানের

ইরানের প্রভাবশালী রেভ্যুলিউশনারি গার্ডের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি হুমকি দিয়েছেন, যে কোনো হামলাকারীকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমাদের ওপর সীমিত হামলা হলেও আমরা কিন্তু হামলা সীমিত রাখব না। শত্রু ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত রাখা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন হোসেইন সালামি। ইরান বরাবরই তেল ক্ষেত্রে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা হামলার দায়িত্ব স্বীকার করলেও ওয়াশিংটন এবং সৌদি আরব বিশ্বাস করছে না। ইরানকে দায়ী করে দেশ দুটি তথ্য-প্রমাণও হাজির করেছে। এদিকে হুতি বলেছে, তারা আর সৌদিতে হামলা চালাবে না।