ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি (২০১৯-২০) কারণে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে। একইসঙ্গে চলতি অর্থবছরের বাজেট সরকারের সামষ্টিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যথাযথ ভূমিকা বলেও অভিমত ব্যক্ত করেছেন ব্যাংকার এবং অর্থনীতিবিদরা। তবে বাজেট ও মুদ্রানীতির লক্ষ্য অর্জনে ব্যাংকের সহায়ক ভূমিকা জরুরি। গতকাল রবিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মিলনায়তনে জাতীয় বাজেট এবং মুদ্রানীতি (২০১৯-২০) : ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেন। কর্মশালায় ঘোষিত মুদ্রানীতি বিষয়ে দুইটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. আখতারুজ্জামান এবং বিআইবিএমের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মহা. নাজিমুদ্দিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় সূচনা বক্তব্য রাখেন বিআইবিএমের অধ্যাপক মো. নেহাল আহমেদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী যখন ৪ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সেখানে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। আরো উচ্চ প্রবৃদ্ধির বিবেচনায় বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার।
ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, উচ্চ প্রবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি খাত বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ পাবে। তবে উচ্চ প্রবৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের জন্য মুদ্রানীতির বাইরে আরো কিছু বিষয় রয়েছে, সে সব ক্ষেত্রে সফলতা এলে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবীব বলেন, সরকার বাজেটে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং উন্নয়নের ওপর বেশি জোর দিয়েছে। টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) অর্জনের ওপর জোরারোপ করেছে। এক্ষেত্রে ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএম-এর সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তিনি ব্যাংকারদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোরারোপ করেন।