স্পোর্টস রিপোর্টার
ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের ফাইনালটি বিশ্ব বিচারে হয়তো বড়ো কিছু নয়। কিন্তু বাংলাদেশ বা আফগানিস্তানের কাছে এটা বড়ো ব্যাপার। এই ফাইনাল জিতে তারা দেখা পেতে পারে একটা আন্তর্জাতিক শিরোপার। কিন্তু এই ফাইনালের আগেই দারুণ দুশ্চিন্তায় পড়েছে আফগানিস্তান শিবির। কারণ, ইনজুরির কারণে ফাইনালে অনিশ্চিত তাদের অধিনায়ক ও সেরা খেলোয়াড় রশিদ খান। লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে, বাংলাদেশের বিপক্ষে বাম হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন এই লেগস্পিনার।
বাংলাদেশের ইনিংসের অষ্টম ওভারে বাম হ্যামস্ট্রিংয়ে এই চোট পান রশিদ। একটা রান ঠেকাতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি। এরপর দারুণ যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। তাদের ফিজিও দ্রুত দৌড়ে যান। কিন্তু রশিদ ব্যথায় আর খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছেড়ে যান তিনি।
চার ওভার পর রশিদ মাঠে ফিরে আসেন। এরপর দুটি উইকেটও তুলে নেন। কিন্তু মাঠে তাকে কখনোই ব্যথামুক্ত মনে হয়নি। আফগানিস্তানের টিম ম্যানেজার নাজিম জার আব্দুর রহিম জাই ম্যাচশেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রশিদ সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে তার ফাইনাল খেলা এখনো নিশ্চিত নয়।
রশিদের অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে জাই বলেন, ‘আমি এটা বলতে পারি না যে, তাকে ফাইনালে পাওয়া যাবে কি-না। সে এখন ভালো বোধ করছে। দেখা যাক, কী ঘটে। আমাদের হাতে ওর সেরে ওঠার জন্য দুই থেকে তিন দিন সময় আছে। আমি আশা করি, এটা গুরুতর কিছু হবে না। কারণ, সে আমাদের অধিনায়ক ও প্রধান খেলোয়াড়। আমরা আগামীকাল (গতকাল) তাকে পর্যবেক্ষণে রাখব এবং আর এক দিন পর ওর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’
এদিকে আফগান অধিনায়ক রশিদ খান নিজে ইনজুরি সম্পর্কে ম্যাচশেষে বলেন, ‘হ্যামস্ট্রিংয়ে একটু চোট পেয়েছি। আশা করি, এটা দিন দুয়েকে ঠিক হয়ে যাবে। একটু অস্বস্তি আছে। আমি দেখতে চাচ্ছিলাম বোলিং করলে ব্যথাটা কেমন লাগে। দেখুন, ৫০ বা ৬০ শতাংশ ফিট থাকলে সেটাই যথেষ্ট। এই পরিকল্পনাতেই আমি মাঠে ফিরে এসেছিলাম। আমরা এই ম্যাচে জরুরি সময় বেশ কিছু উইকেট হারিয়েছি। এটা ঘটে থাকে। ভালো ব্যাপার এই যে, পরাজয় দুটি গ্রুপ পর্যায়ে এসেছে। এখন আমাদের নতুন করে শুরু করতে হবে এবং ফাইনালে বেসিক জিনিসগুলো ঠিকঠাক করতে হবে।’
রশিদের ইনজুরির এই ম্যাচে আফগানিস্তানকে পাঁচ বছর পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশে। দুই দলই গতকাল ঢাকায় ফিরে এসেছে। আগামীকাল ২৪ সেপ্টেম্বর মিরপুরে এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।