গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় গণধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত প্রধান ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী ইয়াছিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী প্রদান করেছে। অপর আসামি অব্দুল কাদেরকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের পক্ষ হতে ৫ দিনের রিমান্ড দাবি করা হয়েছে। রবিরার সন্ধ্যায় টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ একে এম ইনামুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স ২য় বর্ষে পড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গে কোটালীপাড়ার গৌতরামাত গ্রামের লিটু হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদার মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। ১ বছর সম্পর্ক চালিয়ে আসার পর গত বুধবার মেয়েটি নিজ বাড়ি কোটালীপাড়া হতে কলেজে আসে। পরিকল্পনা মোতাবেক সুমন মেয়েটিকে টুঙ্গিপাড়ায় আসতে বলে। পরে সুমন তার পূর্ব পরিচিত ভ্যানচালক বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কুনিয়া গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে ইয়াছিন শেখ ও একই গ্রামের দবির আলী শেখের ছেলে কাদের শেখকে সঙ্গে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে। মেয়েটিকে গিমাডাঙ্গা পেট্রল পাম্পের সামনে হতে ইয়াসিনের ভ্যানে করে দাড়িয়ারকুল শ্বশানঘাটের নির্জন রাস্তার পাশে কাঠাল বাগানে নিয়ে সুমন ও ইয়াসিন ধর্ষণ করে। কাদেরের ধর্ষণচেষ্টাকালে মেয়েটির চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে ৩ ধর্ষক দ্রুত ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়। টুঙ্গিপাড়া থানার মামলা নং ০৮ তাং ১৮-০৯-১৯ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী) ২০০৩ এর ৯ (১) মামলার করার পর ওই রাতেই ইয়াসিন ও কাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাবে প্রধান আসামি সুমন শেখ পলাতক রয়েছে।
আরো পড়ুন: ফতুল্লায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িতে চলছে অভিযান
টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা একে এম ইনামুল কবির বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ইয়াসিন সব স্বীকার করেছে এবং পলাতক সুমন শেখকে গ্রেপ্তার করার জন্য টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।
ইত্তেফাক/বিএএফ