রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র

ইসির ২ কর্মকর্তাসহ সাত জনের বিরুদ্ধে হবে অনুসন্ধান

অবৈধভাবে ৫১ জন রোহিঙ্গাকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়ার অভিযোগে দুই জন নির্বাচন কর্মকর্তাসহ সাত জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া ও ল্যাপটপসহ নির্বাচনের সরঞ্জাম আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল সোমবার এ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। শিগিগরই অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে বলে দুদক জানিয়েছে।

দুদক যে সাত জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে তাদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মকর্তা হলেন—চট্টগ্রাম জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খান ও চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা (বর্তমানে পাবনায় কর্মরত) আব্দুল লতিফ শেখ। এছাড়া অপর পাঁচ জন হলেন—ঢাকা এনআইডি প্রজেক্টের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট সাগর, একই শাখার সাবেক টেকনিক্যাল এক্সপার্ট সত্য সুন্দর দে, চট্টগ্রামের পটিয়ার বড়ো উঠান ইউনিয়নের শাহানুর মিয়া, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের অস্থায়ী অপারেটর জনপ্রিয় বড়ুয়া ও চট্টগ্রাম ডবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসের অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদীন।

উল্লেখ্য, সম্প্র্রতি দুদক থেকে অভিযান চালানোর পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিস কোতোয়ালি থানায় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিমুল শর্মা বাদী হয়ে জেলার সদর থানায় ভোটার তালিকায় ৬০০ রোহিঙ্গাদের নাম উঠানোর অভিযোগে মামলা করেন।