তামাকজাত পণ্য যা বিশেষভাবে তৈরি করে আগুন জ্বালিয়ে ধোঁয়া গ্রহণ করা হয় তাই ধূমপান। মাদক বলতে মানে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, মদ জাতীয় দ্রব্য। ধূমপায়ীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তামাক গ্রহণের ফলে সমস্ত অঙ্গের ক্ষতি হয়। এই ক্ষতি যে শুধু তার একার হয় তা নয়। পরোক্ষ ধূমপানে ধূমপায়ীর আশেপাশের মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ ধূমপানে তাদের আগ্রহ থাকে না। ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ওপর এর প্রভাবটা বেশি প্রকট হয়। অন্যদিকে মাদক গ্রহণের হার এবং এর ব্যাপকতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদক সংগ্রহে অর্থের যোগানে আসক্তরা বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। ধূমপান ও মাদকের নেশা আজকে দেশের যুবসমাজের ওপর কালো ছায়া তৈরি করেছে। ধূমপান ও মাদক ব্যাবসায়ীদের প্রথম টার্গেটও তারাই (স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা)। যুবসমাজকে এ থেকে রক্ষার জন্য প্রথম প্রয়োজন অভিভাবকদের সচেতনতা ও নজরদারি এবং সহজলভ্যতা রোধ। ধূমপান ও মাদক গ্রহণে বিভিন্ন আইন থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আইনের যথার্থ প্রয়োগ হলে ধূমপান ও মাদকের এত বিস্তার হতো না। ধূমপান ও মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কতোটা ক্ষতিকর এবং তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তা স্পষ্টভাবে জনসাধারণের কাছে তুলে ধরে এ বিষয়ে সচেতনতা এবং আইনের কঠোরতা বাড়াতে হবে। পরিশেষে, ধূমপান ও মাদক মুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সরকারের সঙ্গে সবাই একাত্ম হবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
তানিউল করিম জীম, শিক্ষার্থী
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ