তিন মাসেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি শুরু হয়নি ঝিনাইদহের উপজেলা পোস্ট অফিসগুলোতে

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০২০) তিন মাস পার হতে চললেও ঝিনাইদহ জেলার উপজেলা পোস্ট অফিসগুলোতে সঞ্চয়পত্রের কেনাবেচা শুরু হয়নি। এতে সমস্যায় পড়েছে গ্রামের মানুষ। তাদেরকে সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য ঝিনাইদহ জেলা সদরে যেতে হচ্ছে।

চলতি অর্থবছর থেকে সঞ্চয়পত্র কেনার নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। ক্রেতার আয়কর শনাক্তকরণ নম্বর লাগবে। সে সঙ্গে লাগবে কোনো ব্যাংকে খোলা ক্রেতার হিসাব নম্বর। আগে জেলা সদরের হেড পোস্ট অফিস, উপজেলা পোস্ট অফিস বা সঞ্চয় অধিদপ্তর ব্যুরো অফিসে গিয়ে আবেদনপত্র ফরম পূরণ করে টাকা দিলে সঞ্চয়পত্র কেনা যেত। কোনো সমস্যা হতো না। গ্রামের মানুষ উপজেলা পোস্ট অফিসগুলো থেকে সঞ্চয়পত্র কিনত। নতুন নিয়ম চালুর পর উপজেলা পোস্ট অফিসগুলো থেকে সঞ্চয়পত্র বিক্রি শুরু হয়নি।  গ্রাম থেকে ক্রেতাদের জেলা সদরে আসতে হচ্ছে। বেশি সমস্যায় পড়েছে পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মহিলারা।

ঝিনাইদহ হেড পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার রবিউল ইসলাম জানান, তার অফিস থেকে জুলাই মাসে ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল। আগস্ট মাসে বিক্রি হয় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। ঝিনাইদহ সঞ্চয় অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ময়েন উদ্দিন জানান, তার অফিস থেকে জুলাই মাসে ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকার এবং আগস্ট মাসে ১২ কোটি ২৩ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। এ অফিসে লোকবলের অভাবে গ্রাহক দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

জেলা প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, কি জন্য উপজেলা পোস্ট অফিসগুলোতে সঞ্চয়পত্র বিক্রি শুরু হয়নি তা তিনি জানেন না।