ইত্তেফাক রিপোর্ট
শ্রমিক নেতারা বলছেন, গত কয়েক বছরে যেহারে দেশের উন্নয়ন হয়েছে, তার সঙ্গে সমানতালে শ্রমিকের জীবনমানের উন্নয়ন হয়নি। এখনো গার্মেন্টস খাতে শ্রমিকের মজুরি ৮ হাজার টাকা। এই বাস্তবতায় কেবল আইএলও (আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা) নীতিমালা স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে শ্রমিকের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে না। গতকাল বুধবার রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এক সংলাপে তারা এসব কথা বলেন। ‘কর্মস্থলে নারীর অবদান ও সুরক্ষা : আইএলও কনভেনশন ও জাতীয় নীতিমালা’ শীর্ষক ঐ সংলাপ যৌথভাবে আয়োজন করে উন্নয়ন সমন্বয় এবং কেয়ার বাংলাদেশ। সংলাপের প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান। সংলাপ সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারম্যান ড. আতিউর রহমান।
আইএলওর নীতিমালা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে জানিয়ে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের সুরক্ষায় আইএলওর সাতটি মৌলিক কনভেনশনসহ ৩৫টি কনভেনশনে অনুস্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। শ্রমিকের মজুরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৮ হাজার টাকা মজুরি যথেষ্ট কম তা ঠিক। তবে আওয়ামী লীগ সরকারই ৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করেছে মজুরি।
ড. আতিউর রহমান বলেন, নারী শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ফলে শ্রমিক নিজে, শিল্প মালিক তথা দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে। শ্রমিক নেতা কামরুল আহসান, শ্রম অধিকার রক্ষায় মালিক, শ্রমিক, ট্রেড ইউনিয়ন, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদের উদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্যদের মধ্যে শিরিন আখতার, সেলিমা আহমাদ, ফরিদুল হক দুলাল, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন, শ্রমিক নেতা শাহ মো. আবু জাফর, বিলসের নির্বাহী পরিচালক জাফরুল হাসান প্রমুখ।