গাজীপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বাঁচান

গাজীপুর একটি নবগঠিত সিটি করপোরেশন। নব নির্বাচিত মেয়র নির্বাচনের আগে তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে সারা সিটি করপোরেশনব্যাপী কমিউনিটি পুলিশের ব্যবস্থা করেছেন এবং এখনো তা বহাল আছে। এছাড়াও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে আমদানি করা মশার ওষুধ তিনি দেশের সকল মেয়র ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিনামূল্যে দিতে চান—এটা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো, তাঁর আওতাধীন সিটি করপোরেশনে ট্রেড লাইসেন্সের অভাবে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে! গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নিয়মানুযায়ী পৌরকর পরিশোধ না করে কেউ নতুন ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ এবং নবায়ন করতে পারবেন না। কিন্তু পৌরকর পরিশোধ করতে গেলে সিটি করপোরেশন থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, তারা পৌরকর নতুনভাবে নির্ধারণ করে নোটিশ করার পরই কেবল পরিশোধ করা যাবে। নতুন অর্থবছর ২০১৯-২০ এর তৃতীয় মাস চলতে থাকলেও অনৈতিক লেনদেন ছাড়া সিটি করপোরেশন কাউকে পৌরকরের জন্য নোটিশও করছে না, করও নিচ্ছে না, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং নতুন ইস্যুও করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে ট্রেড লাইসেন্সের অভাবে অনেকেই তাদের আমদানি-রপ্তানির কাগজপত্র নবায়ন করতে পারছে না। যার ফলে বন্দরে আটকে থাকা মালের জন্য তাদের প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে বিপুল পরিমাণ ডেমারেজ। এছাড়াও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ভূমি জরিপের কাজ চলছে। টাকা ছাড়া এক শতাংশ জমির রেকর্ড কার্যক্রমও সম্পন্ন হচ্ছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বদাই প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।  উল্লিখিত বিষয়ে আশু পদক্ষেপের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক