সাবরেজিস্ট্রার না থাকায় বিপাকে বেগমগঞ্জবাসী

চৌমুহনী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা

বেগমগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রি অফিসে তিন মাস যাবত্ সাবরেজিস্ট্রার না থাকায় বিপাকে পড়েছে জমির ক্রেতাবিক্রেতারা। এতে জমির দলিল নিবন্ধনের কাজে সৃষ্টি হয়েছে ধীরগতি। এতে একদিকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে, অন্যদিকে স্থানীয়রা দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে শিকার হচ্ছে হয়রানির।

বেগমগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা যায়, চৌমুহনী শহরে অবস্থিত নোয়াখালী জেলার মধ্যে বেগমগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রি অফিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অফিসের অধীনে চৌমুহনী শহর ও বেগমগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের জায়গাজমি কেনাবেচার দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে থাকে। চৌমুহনী শহরের জায়গার মূল্য তুলনামূলক বেশি বিধায় এবং আশপাশ এলাকার ভূমির মূল্যও বেশি হওয়ায় অনেক রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে বেগমগঞ্জে পূর্ণ দায়িত্বের সাবরেজিস্ট্রার না থাকায় ভূমির ক্রেতাবিক্রেতাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে হতাশা।

বেগমগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রি অফিস এলাকার দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সামছুদ্দিন সোহেল জানান, সাবরেজিস্টার না থাকায় ক্রেতাবিক্রেতাদের দলিল লিখে বসে থাকতে হয়। অন্য উপজেলা থেকে একজন সাবরেজিস্ট্রার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সপ্তাহে দুই/একদিন আসেন। এতে অনেক দলিল রেজিস্ট্রি করা যায় না।

বেগমগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রি অফিসের প্রধান সহকারী ইসমাইল হোসেন জানান, এ অফিসে দৈনিক গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে থাকে। তাতে মাসে গড়ে প্রায় ৫ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। সাবরেজিস্ট্রার না থাকায় দলিল রেজিস্ট্রি ও রাজস্ব আদায় ব্যাহত হচ্ছে।