পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সাপলেজা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বেতের আঘাতে ১০ম শ্রেণির ছাত্র জিহাদ এখন চোখ হারানোর শঙ্কায় আছে।
এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে স্কুল চত্বরে তার সহপাঠি ও অভিভাবক ওই শিক্ষক গোলাম রব্বানি লিটনের বিচার দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন। জিহাদ সাপলেজা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ও সৌদি প্রবাসী বাবুল বেপারীর ছেলে।
আরও পড়ুন: সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি থেকে ৯ জুয়াড়ি আটক
স্কুলছাত্রের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত ২৫ আগস্ট সকালে সাপলেজা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গোলাম রব্বানি লিটন এর কাছে জিহাদ প্রাইভেট পড়ছিল। এসময় হোম ওয়ার্ক না হওয়ায় ওই শিক্ষক বেত দিয়ে অপর এক শিক্ষার্থীকে আঘাত করলে অসাবধানতা বশত জিহাদের বাম চোখে লেগে যায়। এতে জিহাদের চোখে রক্ত ক্ষরণ হয়। পরে স্বজনরা জিহাদকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে খুলনা ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে ভর্তি করেন। সেখানে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। বর্তমানে জিহাদের রাজধানীর ধানমণ্ডি হারুণ আই ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
স্কুলছাত্রের মা বলেন, চিকিৎসকরা বলেছেন ছেলের চোখের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়, তবে অপারেশন লাগতে পারে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক গোলাম রব্বানি লিটন বলেন, অন্য এক শিক্ষার্থীকে মারতে গিয়ে অসাবধানতা বশত জিহাদের চোখে লেগে যায়। তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ আমি চালাচ্ছি।
সাপলেজা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাশেদ জানান, এ ঘটনার কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে এ বিষয়ে ম্যনেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের সাখে আলোচনা করে সিদ্বান্ত গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/এমআরএম