যুব সম্প্রদায়কে সুপথে ফেরাতে করণীয়

দেশের যুব সম্প্রদায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্রীড়া ও সংস্কৃতিবিমুখ হয়ে পড়েছে। এর বিরূপ প্রভাবে তাদের কেউ কেউ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। তাদের সুপথে ফেরাতে আমাদের করণীয় কী? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে পাঠানো পাঠকদের অভিমত প্রকাশ করা হলো

যুব সম্প্রদায়কে মাদক থেকে ফেরানোর ভালো উপায় হচ্ছে দেশে সুস্থধারার রাজনীতি ও সংস্কৃতিমুখী পরিবেশ গড়ে তোলা। প্রতিটি পাড়ামহল্লায় দরকার পাঠাগার নির্মাণ করা। দরকার খেলাধুলার পরিবেশ গড়ে তোলা। বর্তমান সরকার মাদকবিরোধী লড়াইয়ে রয়েছে, আমরা এর সাফল্য কামনা করি।  দেরিতে হলেও সঠিক পথে হাঁটতে শুরু করেছে সরকার। অদূর ভবিষ্যতে কোনো মাদকসেবী যাতে সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি না পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।

হোসনে আরা করিম নীলা

নারীর কথা, হাজারীবাগ, ঢাকা

আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংস করছে মাদক। আজকের যুবক আগামীদিনের নাগরিক। এ যুবসমাজ যদি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে না উঠে, তাহলে দেশ আরো ধ্বংসের পথে চলে যাবে। মাদক থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে দেশের আনাচে-কানাচে যেসব মাদকের আখড়া গড়ে উঠেছে, এগুলোতে অভিযান চালিয়ে ধ্বংস করতে হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে যুবসমাজ আলোর পথে হাঁটবে।

খন্দকার কামরুজ্জামান

৩৬৩/১০, উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা

মাদক বলতে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, মদ ইত্যাদিকে বোঝায়। মাদক গ্রহণের হার এবং এর ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেয়েছে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এর ফলে মাদকাসক্তরা বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এতে সমাজে নানা রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। দেশের যুবসম্প্রদায়কে এ মাদকের পথ থেকে ফেরাতে হলে প্রয়োজন তাদের জন্য সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা। তাদের জন্য পাঠাগার ও খেলার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর, ঝিনাইদহ

মাদক ব্যবসায়ীদের টার্গেট স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে এ পথ থেকে রক্ষার জন্য  প্রয়োজন অভিভাবকদের সচেতনতা ও মাদক গ্রহণে বিভিন্ন আইনের যথাযথ প্রয়োগ।

আল মায়ামী

ফুলবাড়িয়া, সাভার

মাদকমুক্ত ও ক্রীড়া-সংস্কৃতিমুখী রাষ্ট্র প্রত্যাশা করতে হলে সরকারের সঙ্গে সবাইকে একাত্ম হতে হবে।

মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদউল্লাহ

স্টুডিও ফুজিয়া, মিরপুর-১, ঢাকা

আমাদের দেশের যুবসম্প্রদায়কে ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমুখী করতে প্রয়োজন সর্বপ্রথম মাদকমুক্ত পরিবেশ ও সমাজ তৈরি করা। যেহেতু যুবসমাজই দেশের কর্ণধার, তাই তাদেরকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ ও দেশ গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই।

অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজউদ্দিন

কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা

শহরে ও গ্রামের প্রত্যেক পাড়া বা মহল্লায় প্রয়োজনে খেলারমাঠ, ব্যায়ামাগার, পাঠাগার ও ক্লাব স্থাপন এবং সরকারি সহায়তায় অথবা ধনাঢ্য ব্যক্তির অনুদানে খেলার সামগ্রী, ব্যায়ামাগারের সরঞ্জাম ও পাঠাগারের বইয়ের ব্যবস্থা করে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করতে হবে। জাতীয় দিবস যেমন: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, মে দিবস, মা দিবস, বাবা দিবস, ভালোবাসা দিবস, শিশু দিবস, স্বাস্থ্য দিবস, প্রবীণ দিবস, কন্যা দিবস এবং সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে এলাকা ভেদে ফুটবল, ক্রিকেট, হা-ডুডু খেলা, দাবা, চিত্রাঙ্কন, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, রচনা ও বইপাঠের প্রতিযোগিতা, মঞ্চনাটক, বৈশাখী মেলার আয়োজনের মাধ্যমে যুব সম্প্রদায়কে ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমুখী করা যায়। শিশু/নারী পাচার ও নির্যাতন, বাল্যবিবাহরোধ, গুজব ছড়ানো, মশক নিধনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, কৃষিমেলা, বৃক্ষমেলা ও মাদকবিরোধী র্যালিতে যুব সম্প্রদায়কে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে সংযুক্ত করা যেতে পারে।

মো. আবুল কালাম আজাদ

সরদার পাড়া, মুন্সীগঞ্জ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে একসময় সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চার সুযোগ ছিল অবারিত। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত সংস্কৃতির নানা বিষয় ও ক্রীড়া চর্চার সুযোগ পেত। নিয়মিত চর্চার ক্ষেত্রে প্রায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই বার্ষিক সংগীত, নৃত্য, নাটক, আবৃত্তি, বিতর্ক, অভিনয়, কিরাত, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো। জাতীয় দিবসগুলো পালিত হতো নানা আয়োজনে। প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান অর্জনকারীদের নিয়ে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো। এসব আয়োজন হতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ছাড়াও বিভিন্ন হল সংসদ আয়োজন করত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসিক হল কেন্দ্রিক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনও কাজ করত। শিক্ষার্থীরা লেখাপাড়ার পাশাপাশি অবসর সময়ে শিল্প-সাংস্কৃতি চর্চায়, সাহিত্যচর্চায় নিজেদের ব্যস্ত রাখার সুযোগ পেত এবং এর মাধ্যমে পারস্পরিক সংস্কৃতির আদান-প্রদান, হূদ্যতা তৈরি হতো। কিন্তু এখন দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেই পরিবেশ নেই।

অমিত বণিক

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক, উত্তরা, ঢাকা

কবি হেলাল হাফিজ তার ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতায় বলেছিলেন ‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’।  সেই শ্রেষ্ঠ সময়ে বিজাতীয় জুয়া ক্যাসিনো খেলা বা ক্যাসিনো পরিচালনায় নিয়োজিত থাকা কিন্তু আমাদের দেশের যুবশক্তির কাজ নয়। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন ‘যৌবন রে, তুই কি রবি সুখের খাঁচাতে, তুই যে পারিস কাঁটাগাছের উচ্চ ডালের পরে পুচ্ছ নাচাতে।’  সেই পুচ্ছ না নাচিয়ে নেশার চুর হয়ে থাকা কিংবা অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকা আমাদের যুব সমাজের কাজ নয়। মূলত জাতি আজ আমাদের যুব সমাজের কাছে মেঘলুপ্ত সূর্য্যের মতো প্রদীপ্ত যৌবন চায়। সম্রাট বা শামীমের মতো যুবশক্তি আমাদের মোটেও কাম্য নয়। আমাদের দেশে প্রবাদ আছে খুঁটির জোরে বকরি নাচে। বর্তমান যুবসম্প্রদায়ের এই অধঃপতনের জন্য সেই খুঁটিগুলোকেই সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ দায়ী করছেন।

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

মাইশা এফ হাউজ, উত্তরা, ঢাকা

খেলাধুলা করার জন্য এলাকা ভিত্তিক ছোটো ছোটো মাঠ প্রয়োজন। ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যুবকদের পুরস্কৃত করা উচিত। বই পড়া, পত্রিকা পড়া, লেখা আহ্বান, ডিবেট করা, ক্রিকেট টি-২০ মতো টি-১০, দাবা, ব্রিজ, টেনিস, পিঠা উত্সব, ক্ষুদ্র কুটির শিল্প, শালীনতা সামাজিকতা শিক্ষা ইত্যাদির মাধ্যমে যুব সমাজকে ব্যস্ত রাখতে হবে।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ

মিরপুর-৬, ঢাকা

ভাবছি আমাদের ছেলেমেয়েদের জন্য আমরা কি খেলাধুলার স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরি করে দিতে পারছি? অনেকেই যারা যান্ত্রিক শহরে বাস করছে তাদের অবস্থা তো আরো খারাপ! খোলা জায়গাগুলোতে উঠছে ফ্ল্যাট বাড়ি। যে বয়সে ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করবে, সে বয়সে তাদের হাতে আমরা মোবাইল ফোন তুলে দিচ্ছি। মোবাইল ফোনের বেশি ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন সময় দেখা যায়, আমাদের কিছু ছেলেমেয়ে খুব অল্পবয়সে বিভিন্ন গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বখাটে ছেলেদের সঙ্গে মিশে নিজেদের জীবনকে হতাশার অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে। খুব ছোটো বয়স থেকে ধূমপান করতে শিখছে। মাদকদ্রব্য গ্রহণ করছে। তাই তাদের খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করা উচিত।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর

দেশের যুব সম্প্রদায়কে ক্রীড়া ও সংস্কতিমুখী করতে হবে। শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে শরীরচর্চা, অভিনয়, সাহিত্যচর্চা, নাটক, ধর্মীয় শিষ্ঠাচার পালন ইত্যাদিতে মনোনিবেশ করতে পারে। এছাড়া অবসর সময়ে বাসায় বসে শৌখিন মাছ চাষ, পশুপাখী পালন, ফুলের বাগান ইত্যাদি তাদের দিয়ে করানো যায়।

মো. মিজানুর রহমান প্রধান

চেয়ারম্যান, ৫নং বাউশিয়া ইউনিয়ন, চরবাউশিয়া, ফরাজিকান্দি 

শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জায়গা দিনদিন ছোটো হয়ে আসছে। আজকাল গ্রামাঞ্চলের ছেলেমেয়েদেরও খেলার জায়গা নেই বললেই চলে। সংস্কৃতি চর্চার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাও অপ্রতুল। যার কারণে শহরের অলি-গলিতে উঠতি বয়সি ছেলেরা ভুল কালচার গড়ে উঠেছে। মানুষ যত বাড়ছে নতুন নতুন সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে। মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমসম্পন্ন সমাজ গড়ে তোলার জন্য পাড়া-মহল্লায় সংস্কৃতিক চর্চা, প্রতিভা বিকাশের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলা, আবৃত্তি, অভিনয়, বিতর্ক, ধর্মীয় বিধান পালন ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

মোহাম্মদ ইসলাম

পুরানা পল্টন, ঢাকা

বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার কোনো ব্যবস্থা নেই, নেই খেলার মাঠ; নেই সংস্কৃতি চর্চার ব্যবস্থা, নেই পাঠাগার, নেই প্রতিযোগিতামূলক সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ। ফলে পড়া, স্কুল আর স্মার্টফোন নিয়ে সময় কাটাচ্ছে তারা।

মারুফুজ্জামান

বাসাবো, ঢাকা

আমাদের দেশের যুবসমাজকে ক্রীড়া ও বাংলাদেশি সংস্কৃতিমনা হিসেবে গড়ে তুলতে না পারলে এ দেশ থেকে জুয়া, মদ, ধর্ষণ, হিরোইন, ইয়াবা, রাহাজানি, ছিনতাই আর ক্যাসিনোর মতো অবৈধ ব্যবসাবাণিজ্যে থেকে মুখ ফিরানো খুবই কঠিন।

আলহাজ্ব মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ:(হিফজু)

প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি, পরিবেশ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি, হাউজ স্টোর, রাজশাহী

সারাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে বর্তমান যুব সম্প্রদায়কে রক্ষা করা যাবে। তাদের জন্য সুস্থ বিনোদনের ধারা তৈরি করা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কোনো বিকল্প নেই।

ফারুক আহমেদ

বাঘমারা, রাজশাহী

ছাত্রাবস্থায় যদি কেউ সুস্থ সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চায় জড়িত না থাকে তবে তাদের যুবকালের বয়সে কী করে আশা করা যায় তারা সুস্থ সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চায় নিয়োজিত থাকবে!

মো. ফখরুল ইসলাম টিপু

সেনবাগ, নোয়াখালী

দিন দিন খেলার মাঠগুলো দখল হয়ে যাচ্ছে। সুন্দর সুন্দর বাড়ি তৈরি হচ্ছে। রাস্তার পাশে জমি ভরাট করে তৈরি হচ্ছে কমিউনিটি সেন্টার। মফস্বল এলাকায় বিভিন্ন শপিং সেন্টার হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে যুব সম্প্রদায়কে ক্রীড়ামুখী করা সত্যিই কঠিন!

বিলকিছ আক্তার

সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল

বাংলাদেশের যুবসমাজকে জানতে হবে হঠাত্ করে তাদের সংস্কৃতি বা বর্তমান খেলাধুলার উন্নতি সাধন হয়নি। একাত্তরের পরবর্তী অবস্থান থেকে বহু উত্থান-পতনের মাধ্যমে তারা এই অবস্থানে পৌঁছেছে। এছাড়া সালাউদ্দিনের মতো পেশাদার লীগে যারা খেলে এসেছেন তেমনি এমিলির মতো প্লেয়ার কলকাতার লীগে খেলেছেন। উপমহাদেশের সংস্কৃতিতে রয়েছে রুনা লায়লার মতো শিল্পী। তাদের অনুসরণ করে আমাদের এগিয়ে চলতে হবে।

মো. আমির যুবায়ের মজলিশ

৩৫/১, ধানমন্ডি, ঢাকা

আমাদের অলসতা, সংস্কৃতি বিমুখতাসহ নানা কারণে আগে আমরা যেমন সকালে হারমুনিয়ামের আওয়াজ শুনতাম এখন থেকে শুনা যায় না। এটা কর্মব্যস্ততা, ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার চাপ এবং কোনো কোনো পরিবারের অপছন্দের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

সমাজ আজ নানা কারণে সংস্কৃতিবিমুখ হয়ে পড়েছে। তার অন্যতম কারণ স্মার্টফোনের ব্যবহার। স্মার্টফোন ব্যবহারকারী তরুণ/ তরুণীরা তাতে আসক্ত হয়ে পড়ছে, সেই সঙ্গে তারা জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধমূলক কাজে।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

প্রবাদে আছে ‘যত বুদ্ধি বাড়ে তত লক্ষ্মী ছাড়ে’। আমাদের আধুনিক যুগেও এই প্রবাদটি সত্য। রেডিও, টিভি, সিনেমা, ডিশলাইন, ফোন, ফেসবুক ইত্যাদির আর্ভিভাবে যুব সম্প্রদায় বুদ্ধির উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আসক্ত হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি নেশায় বুঁদ হয়ে বিপথগামী হচ্ছে।

মো. আবদুল রাজ্জাক নাছিম

নির্বাহী পরিচালক, স্বাধীন জীবন, চান্দাই কোনা, রায়গঞ্জ, মিরাজগঞ্জ