কাতারের বিপক্ষে গোলরক্ষকদের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে

স্পোর্টস রিপোর্টার

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সেটপিসে একমাত্র গোল হজম করে হেরেছিল বাংলাদেশ। গত ১০ সেপ্টেম্বর তাজিকিস্তানে হওয়া সেই ম্যাচটি দেখছিলেন দেশের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার শেখ মো. আসলাম। তার কাছে মনে হয়েছিল গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা ভালো খেললেও বলটা ধরা উচিত ছিল। সেই গোল নিয়ে রানা বললেন,‘আসলে আমি জানি না ওটা আমার ভুল ছিল কি না। আমার মনে হয় একটা কথা সবাই বলতে পারবে। এখানে আসলে হেডের বলগুলো থামানো গোলরক্ষকদের জন্য অনেক কঠিন হয়। আর হেড যদি আরো কাছে হয়, তাহলে তো কথা নয়। আমি সেভ করার জন্য চেষ্টা করেছি। যখন বলটা আমার হাতে লেগেছিল, তখন আমার মনে হয়েছে যে সেভ করাটা উচিত ছিল। যখন হাত লাগানোর পর বল জালে প্রবেশ করেছিল তখন আমার খারাপ লেগেছিল।’

কাতার বিশ্বকাপ রাউন্ড টু পর্বে সামনে কাতার এবং ভারত ম্যাচ রয়েছে। কঠিন লড়াই হবে সেখানে। কাতার এবং ভারত ম্যাচের আগে গোলকিপারদের নিয়ে কাজ করা হচ্ছে জাতীয় দলে। রানা বললেন, ‘আফগানিস্তানের বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়েছে। এখন কাতার ও ভারতের সঙ্গে ম্যাচের আগে আমাদের আরো বেশি পরিশ্রম করতে হবে।

এখানে দুটি দলই ভালো। ভারত-কাতার ম্যাচটা দেখলে বুঝবেন বল পজিশনে ৭০ কিংবা ৭৪ ছিল। ৯০ মিনিট কিন্তু কাতারের দখলেই ছিল। আমাদের ঘরের মাঠে ম্যাচ হলেও আমি মনে করি কাতার একই খেলাই খেলবে। তাই আমাদের খেলোয়াড়রা যে কাজ করছে, আমি মনে করি মানসিকভাবে খেলোয়াড়দের অবস্থাটা আগের চেয়ে অনেক ভালো। কাতারের আক্রমণগুলো থামাতে আমরা প্রস্তুত। আমাদের ডিফেন্ডার ও গোলকিপার আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি।’ কাতারের বিপক্ষে ভারতের খেলা গোলকিপার রানাকে অনুপ্রাণীত করে। তার কাছে মনে হচ্ছে ভারতীয় গোলকিপার যদি পারে তাহলে আমাদের পারা উচিত। ভারতীয় গোলকিপার ১৭-১৮টা সেভ করেছে। এটা ভালো দিক। সেটার থেকে অবশ্যই অনুপ্রেরণা নেওয়ার ব্যাপার আছে।

আমরা যারা গোলরক্ষক আছি, যে কোনোভাবে হোক কাতারের বিপক্ষে আমাদের ভালো করতে হবে এবং বিশেষ করে গোলরক্ষকদের একটা চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। এখানে আমরা যেন সফল হতে পারি, সেটা নিয়ে কাজ করব।’

আশরাফুল ইসলাম রানা বললেন,‘আফগানিস্তান ম্যাচের পর জেমি যখন আমাদের ছুটি দেয় তখন আমাদের ট্রেনিং প্রোগ্রাম দিয়েছিলেন। আমরা যেন এই দশ দিন যেন ফিটনেসটা ৮০-৯০ ভাগ ঠিক রাখি। সেটা আমরা মেনে চলেছি।’