ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো বলেছে, সম্প্রতি অস্ত্রবাজ, টেন্ডারবাজ ও দুর্নীতি-অনাচারকে কেন্দ্র করে অভিযান চলছে, ঠিক এই সময়ে গণমাধ্যম, টেলিভিশন টকশো ও অনলাইন পত্রিকাগুলো ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেননের পরিচ্ছন্ন ইমেজকে কালিমালিপ্ত করতে উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।
শনিবার ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবের অফিস কক্ষ উদ্বোধনের ছবি ও ক্লাবের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে মেননের নাম থাকাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনভিপ্রেত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। উক্ত ক্লাবে অভিযানকালে ক্যাসিনো পাওয়াকে কেন্দ্র করে ঐ ক্লাবের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে অনেক সাংবাদিক তাকে টেলিফোনে প্রশ্ন করলে তিনি তাত্ক্ষণিকভাবে জানান, ফকিরাপুুল ক্লাবটি একটি ফুটবল ক্লাব এবং এখন থেকে তিন বছর আগে ক্লাব কমিটি পুনর্গঠিত হওয়ার সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে তাকে ক্লাবের পৃষ্ঠপোষক হতে অনুরোধ করা হয়। তার নাম গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। ঐ সময় ক্লাবের সংস্কারকৃত অফিস তিনি ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন। পরবর্তীকালে ক্লাব পরিচালনা অথবা উল্লেখিত গভর্নিং বডির কোনো সভা হয়েছে বলে তার জানা নেই। তিনি ঐ একদিনই ক্লাবে গিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে ক্লাবটি সম্পর্কে যেটুকু তিনি জানেন তা হলো, চ্যাম্পিয়ন লীগে ক্লাবের ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং প্রিমিয়ার লীগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ঐ ফুটবল ক্লাবে কখন কোন সময় ক্যাসিনো বসানো হয়েছে এই সংবাদ তিনি জানতেন না অথবা ক্রীড়া মহল সাংবাদিক এবং স্থানীয় জনগণ কেউ তাকে জানায়নি। পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকেও কিছু জানানো হয়নি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এই অবস্থায় ঐ ফুটবল ক্লাবকে ‘ক্যাসিনো ক্লাব’ আখ্যা দিয়ে তার চেয়ারম্যান মেনন—এ ধরনের শিরোনামে সংবাদ পরিবেশন কতখানি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা আর কতখানি ‘হলুদ’ সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত তা বুঝতে কারো বাকি থাকে না। বস্তুত রাশেদ খান মেননের গায়ে কালি লাগাতে এ ধরনের প্রচারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও টেলিভিশন টকশোতে একই ধরনের মন্তব্য ও প্রচার চলছে।