এলডিপি সভাপতি ও জাতীয় মুক্তিমঞ্চের সমন্বয়কারী ড. কর্নেল (অব) অলি আহমদ বলেছেন, অন্যায়কারী এবং জুলুমবাজদের ধ্বংস অনিবার্য। পাপের ভারে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হবে। অতীতেও অনেকের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। বিবেকের তাড়নায় একটা সময়ে দুর্নীতিবাজরাও এ সরকারকে সমর্থন দেবে না। সুতরাং সময় ক্ষেপণ করে লাভ হবে না। সরকারকে বলব—যতদ্রুত সম্ভব সংসদ ভেঙে দিয়ে পদত্যাগ করুন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পুনঃনির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। গতকাল শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি জানান।
অলি আহমদ বলেন, আমরা এদেশ স্বাধীন করেছি। সুতরাং একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেকের তাড়নায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। এদেশের জনগণের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে এবং সে দায়িত্ব পালনে আমরা বদ্ধপরিকর। কয়েক দিন পূর্বে হঠাত্ সরকার জানতে পারল যে, ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও কৃষক লীগের কিছু সদস্য জুয়া, মদ ও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত। ঢাকা মহানগরের কিছু কর্তাব্যক্তি ও থানার ওসিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং প্রধান প্রকৌশলীরা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। জি কে শামীমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বস্তায় বস্তায় টাকা মন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিনিয়ত পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে এবং টিআইবির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে বলা হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এখন জনগণের মনে প্রশ্ন হলো, তাদের কষ্টার্জিত এই টাকা কয়েক জন অসাধু রাজনীতিবিদ এবং সরকারি কর্মচারীরা কীভাবে আত্মসাত্ করেছে, কীভাবে বিদেশে পাচার করেছে। সরকার কি আদৌ জানত না। তাহলে গোয়েন্দা বা পুলিশের কি প্রয়োজনীয়তা রয়েছে? আমরা মনে করি, এ ধরনের জঘন্য রাষ্ট্রদ্রোহী অনৈতিক কাজ কখনো সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সম্ভব নয়।