আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ায় দেশে বিনিয়োগ বেড়েছে। দেশি-বিদেশি সকল প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
আজ রোববার নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটস্থ আনন্দ শিপইয়ার্ডে বিআইডব্লিউটিএ’র জন্য ৪৫টি টার্মিনাল পন্টুন নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে যেসব চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন, সেসব ক্ষেত্রে সফল হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতি বিকাশের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার প্রধানমন্ত্রী করেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে রায় বাস্তবায়ন করেছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান চলছে। এভাবে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ায় বিনিয়োগ বেড়েছে। বিনিয়োগবান্ধব একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে অর্থনীতির ধারা বিকাশের লক্ষ্যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, দেশের সকল নদী বন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে ৪৫টি টার্মিনাল পন্টুন নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের জন্য ‘সেফ জোন’ গঠন সম্ভব নয়: মিয়ানমার
উল্লেখ্য, বিআইডব্লিউটিএ বিভিন্ন নদী বন্দরে পন্টুন স্থাপনের জন্য প্রায় ৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ ৪৫টি বিশেষ ধরনের টার্মিনাল পন্টুন নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে চলতি বছরের ২২ আগস্ট আনন্দ শিপইয়ার্ডের সঙ্গে বিআইডব্লিউটিএ’র চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনাল পন্টুনগুলো পাওয়া যাবে। প্রতিটি পন্টুনের দৈর্ঘ্য ১০০ ফুট, প্রস্থ ৩২ ফুট এবং গভীরতা ৭.৫ ফুট।
৪৫টি পন্টুন যেসব বন্দরে স্থাপন করা হবে, সেগুলো হলো- ঢাকা নদী বন্দরের সদরঘাটে ১৫টি, লালকুঠিঘাটে ৪টি, ওয়াইজঘাটে ৩টি, নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরে ৪টি, চাঁদপুর নদী বন্দরে ৪টি, ভোলা নদী বন্দরে ৩টি, পটুয়াখালী নদী বন্দরে ৩টি, মীরকাদিম নদী বন্দরে একটি, ফতুল্লা লঞ্চঘাটে দুটি, ঝালকাঠি লঞ্চঘাটে দুটি, হুলারহাট লঞ্চঘাটে একটি, বরগুনা নদী বন্দরে একটি এবং খুলনা নদী বন্দরে দুটি।
ইত্তেফাক/ইএইচএম