কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় কয়েকদিনের টানা বর্ষণের ফলে জমিতে বৃষ্টির পানি জমে শতাধিক কৃষকের আলু খেত পচে গেছে। আবার নতুন করে জমিতে আলু রোপণ করার চিন্তায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক আলুচাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এবারে ৩২ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত লাভের আশায় এ উপজেলার কৃষকরা আশ্বিন মাসের শুরু থেকে জমিতে আলু লাগানো শুরু করে। কিন্তু গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণের ফলে কৃষকের আলু খেতে পানি জমে পচে নষ্ট হয়ে গেছে।
বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি গ্রামের কৃষক বদরুল আলম বলেন, আমি এবার তিন বিঘা জমিতে আগাম আলু চাষ করেছিলাম কিন্তু কয়েকদিনের টানা বর্ষণের ফলে আমার আলু খেত সম্পূর্ণ পচে নষ্ট হয়ে গেছে।
একই গ্রামের আলুচাষি শামীম হোসেন বাবু বলেন, আমি এবার সাত একর জমিতে আগাম আলু লাগিয়েছি। এর মধ্যে আমার এক একর জমির আলু পচে গেছে। কেশবা গ্রামের আলুচাষি লুত্ফর রহমান লুতু বলেন, আমি ছয় একর জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করেছি। এখন পর্যন্ত আমার জমির দশ ভাগ আলু পচে গেছে। বাকিটা আকাশের রোদ না হওয়া পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, কয়েকদিনের টানা বর্ষণের ফলে জমিতে অতিরিক্ত পানি জমে থাকার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে যে সকল জমি উঁচু সে সব জমির ক্ষতি কম হবে। আমরা প্রতিদিন মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছি ।