রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন
স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর
আর দুই দিন পর রংপুর-৩ শূন্য আসনে ইভিএম-এর মাধ্যমে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত থাকবে ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। এর পরই বন্ধ হবে প্রচার-প্রচারণা। আমেজহীন প্রচারণার শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত তিন হেভিওয়েট প্রার্থী। শুরু থেকে কৌশলী প্রচারণায় এগিয়ে আছেন এরশাদপুত্র রাহগীর আলমাহি সাদ। আর শেষ বেলায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের প্রচারণায় ভোটারদের কাছ থেকে সাড়া পাচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী রিটা রহমান। এতে বিভেদ ভুলে উজ্জীবিত রংপুর বিএনপি এখন এক কাতারে দাঁড়িয়েছে।
রংপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্যসহ দলের শীর্ষনেতাদের উপস্থিতি, গণসংযোগ ও পথসভায় কেটে গেছে রিটা রহমানের ভোট নিয়ে হতাশা। এখন ব্যাপকসংখ্যক স্থানীয় নেতাকর্মীর সঙ্গে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। শীর্ষনেতাদের আগমন, নির্বাচন নিয়ে দিক-নির্দেশনা এবং প্রচারণায় উদ্বেলিত রংপুর মহানগর ও জেলা বিএনপি। সঙ্গে অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলো এখন প্রচারণায় মাঠে সরব। গতকাল বুধবার সকালে মহানগরীর সেন্ট্রাল রোড থেকে গণসংযোগ করেন সুপার মার্কেট এলাকা পর্যন্ত হেঁটে গণসংযোগ করেন বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান। অন্যদিকে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে লাঙ্গলের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এ আসনে বাবার স্বপ্ন পূরণে শুরু থেকে কৌশলী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত জাতীয় পার্টির প্রার্থী রাহগীর আলমাহি সাদ এরশাদ। প্রতিদিন গণসংযোগ, বিভিন্ন এলাকায় পথসভা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে তার চলছে মতবিনিময়।
গতকাল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গণসংযোগ, মতবিনিময় ও পথসভায় ভোট প্রার্থনা করে লাঙ্গলের বিজয় নিশ্চিত করতে মরিয়া সাদ এরশাদ।
এদিকে এরশাদ পরিবারের আরেক সদস্য, স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফও গণসংযোগ ও পথসভা করেছেন। হেভিওয়েট এই তিন প্রার্থী ছাড়াও খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল, গণফ্রন্টের কাজী শহিদুল্লাহ এবং এনপিপির শফিউল আলমের পক্ষেও বিভিন্ন এলাকাতে মাইকিং ও গণসংযোগ করতে দেখা গেছে।