হবিগঞ্জে স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিলেন সবজি ব্যবসায়ী সেলু মিয়া। এজন্য পারিবারিক কলহ তার নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছিল। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়েই তিনি স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আর পরিকল্পনা অনুযায়ী খুনও করেছেন। কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ খোয়াই নদীতে ভাসিয়ে দেন। বুধবার রাতে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য দিয়েছেন শহরের উমেদনগর গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে সবজি ব্যবসায়ী সেলু মিয়া। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।
সেলু মিয়ার স্বীকারোক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, দ্বিতীয় স্ত্রী ফুলবরন নেছা অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। এ পরিস্থিতিতে সেলু মিয়া প্রথম স্ত্রীর বাবা ও ভাইকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার মাকে খুন করার পরিকল্পনা করেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী ও শাশুড়িকে আলাদা বাসায় উঠানোর কথা বলে সিএনজি অটোরিকশাযোগে তাদেরকে বাসা দেখাতে নিয়ে যান। পূর্ব পরিকল্পনামাফিক তাদেরকে শহরতলীর খোয়াই নদীর কাছে নিয়ে পিটিয়ে ও দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে উভয়ের লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।