মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঘুষ ছাড়া মিলছে না সরকার নির্ধারিত মাতৃত্বকালীন ভাতা। অভিযোগ উঠেছে— ঐ অফিসের হিসাব সহকারী (কাম-কম্পিউটার) আব্দুল বাছেদ শেখ মাতৃত্বকালীন ভাতা বাবদ প্রতিটি নারীর কাছ থেকে ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছে। যারা ঘুষ দিতে রাজি হয় না তাদের ভাতা বন্ধ থাকে মাসের পর মাস। এ বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্ত বাছেদ শেখের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মাতৃত্বকালীন ভাতাপ্রাপ্ত শারমিন আক্তার, তাসলিমা বেগম, শামসুন্নাহারসহ একাধিক নারী জানান, তারা ঐ অফিস থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা পেয়ে যাচ্ছিলেন। গত তিন মাস ধরে তাদের ভাতা বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি জানতে তারা অফিসের হিসাব সহকারী বাছেদ শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা করে দাবি করে। টাকা দিলে পুনরায় তাদের ভাতা চালু করার কথা জানান তিনি।

আব্দুল বাছেদ শেখের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, এটি ভুল বুঝাবুঝি ছিল। বিষয়টি মীমাংসা করে নেওয়া হয়েছে। পলাশ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রওশন আরা জানান, টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমার কানে এসেছে। অনেক সময় অ্যাকাউন্টকারীর ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে ভাতা পেতে সমস্যা হয়। হয়তো সে সব ঠিক করার জন্য কিছুটা খরচ চেয়েছিল। তবে এসব বিষয়ে কোনো টাকা নেওয়ার বিধান নেই।

পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা ইয়াসমিন জানান, ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।