বছরে মৎস্য খাতে আইনমন্ত্রীর আয় ৩ কোটি টাকা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। অপরদিকে বিএনপির তিনজন দলের চিঠি পেলেও মনোনয়ন ভাগ্যে জয়ী হয়েছেন আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সদ্য পদত্যাগকারী) মো. মুসলিম উদ্দিন।

দুজনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে বাৎসরিক আয়, ব্যাংক আমানত ও শিক্ষার দিক থেকে বহু গুণে এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আনিসুল হক। সেদিক দিয়ে বিএনপির প্রার্থী আছেন পিছিয়ে। 

আনিসুল হক হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, বছরে মৎস্য খাত থেকে তার আয় আনুমানিক ৩ কোটি, ২০ লাখ ৯০ হাজার ৫৬০ টাকা। এছাড়া মন্ত্রী হিসেবে বছরে ভাতা পান ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ব্যাংকে আমানত ৪ কোটি ৫৮ লাখ ৬২ হাজার ৯৯২ টাকা। সঞ্চয়পত্র রয়েছে ১৫ লাখ টাকা। এছাড়া ঢাকায় ৪৫ লাখ টাকার একটি ফ্ল্যাট ও ২টি গাড়ি রয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১২ লাখ ২০ হাজার টাকা। আনিসুল হকের নিজ নামে ৮ বিঘা কৃষি জমি, ১ একর ২২ শতাংশ অকৃষি জমি এবং ঢাকার পূর্বাচলে একটি প্লট রয়েছে। পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত যৌথ মালিকানায় ৩টি মৎস্য খামার রয়েছে।  তবে আনিসুল হক তার হলফনামায় কৃষি খাত থেকে কোন আয় নেই বলে উল্লেখ করেছিলেন। 

অারো পড়ুন: নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত ১

অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী মো. মুসলিম উদ্দিন হলফনামায় উল্লেখ করছেন তার বাৎসরিক আয় ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৬০২ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাত থেকে আয় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, বাড়ি/দোকান ভাড়া থেকে ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা, ব্যবসা হতে ১ লাখ ৪২ হাজার ১১০ টাকা এবং সম্মানী ভাতা ৭ লাখ ৫ হাজার ২৬৭ টাকা। তার স্থাবর সম্পত্তি কৃষি জমি ১৬৮.৫ শতক, ঢাকা রামপুরায় আড়াই কাঠা ভূমি, যার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ টাকা। এছাড়াও তার ১টি গাড়ি, ব্যাংক/ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৬ লাখ ১৮ হাজার ৬৭৪ টাকা, নগদ টাকা রয়েছে ৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর ৪০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ