জগন্নাথপুরে এলজিইডি সড়ক
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা
জগন্নাথপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন সড়কের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে চলাচলে ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয়রা।
জগন্নাথপুর পৌর শহরের হাসপাতাল এলাকায় সড়কের পুনঃ সংস্কারের তিন মাস পর একই স্থানে বারবার গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে জনসাধারণ। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর ঐ স্থানের প্রায় ১০০ ফুট সড়ক জোড়াতালি দিয়ে কয়েকবার সংস্কার করলেও সুফল পাচ্ছেন না যানবাহন চালকরা। বিভিন্ন অংশে সড়কের গর্ত সংস্কারের অল্পদিন পরেই সড়কটি পূর্বাবস্থায় ফিরে যায়।
এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কের কেউনবাড়ি এলাকা পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার অংশের সড়ক সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্নকরণের পর চলতি বছরেই সড়কের নতুন সংস্কারকাজ শুরু হবে। এদিকে গত কদিনের বৃষ্টিপাতের ফলে এলজিইডির ঐ সড়কটির হাসপাতাল এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে প্রায় শতাধিক ফুট সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে বিপজ্জনক অবস্থার সৃষ্টি হয়। গত মঙ্গলবার দুপুরে ঐ স্থানে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা জগন্নাথপুর অভিমুখী মালবাহী ট্রাক গর্তে আটকে যাওয়ায় দুই পাশে দিনভর তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
শহরের বটেরতল এলাকার জালাল মিয়া জানান, এলজিইডি সড়কের ছিক্কা এলাকায় এক মাসে ২০ বার গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এলজিইডি কর্তৃপক্ষ ঐ স্থানে গর্ত ভরাট করে দিলেও সড়কটির একই স্থানে সর্বোচ্চ পাঁচ টন মালবাহী যানবাহন চলাচলের সুবিধা থাকলেও ঐ সড়ক দিয়ে ২০ থেকে ২৫ টন মালবাহী যানবাহন চলাচল করায় একই স্থানে একাধিকবার গর্তের সৃষ্টি হয়। এতে মালবাহী যানবাহন আটকে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলোও ধীর গতির হয়ে পড়ে।
সম্প্রতি ইউএনও মাহফুজুল আলম মাসুমের আহ্বানে নাগরিক মতবিনিময় সভায় সড়ক যোগাযোগের বিপর্যয় রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে স্থানীয় জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মতবিনিময় সভায় সড়ক সংস্কারে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরে সড়কটি সংস্কারকাজ শুরু হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইউএনও মাহফুজুল আলম মাসুম।