৬ অক্টোবর সকাল ৮টা ২৫ মিনিট। ঢাকার সদরঘাট থেকে বাবা ও বোনদের নিয়ে একটি উবারের প্রাইভেট কার নিয়ে বাবুবাজার ব্রিজ হয়ে বেড়িবাঁধ দিয়ে মোহাম্মদপুর আসছিলাম। প্রাইভেট কারটি সোয়ারীঘাট পার হওয়ার পর একজন সার্জেন্ট তাঁর মোটরসাইকেল নিয়ে আমাদের প্রাইভেট কারটির সামনে এসে থামালেন। কারের চালক বললেন, এটা উবারের কার। যাত্রী নিয়ে যাচ্ছেন। সার্জেন্ট চালকের কাছে গাড়ির কাগজপত্র চাইলেন। পুলিশ সার্জেন্ট প্রাইভেট কারের সামনের কভার খুলে ইঞ্জিনের নাম্বার দেখলেন। বললেন নাম্বারটি অস্পষ্ট। আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি কন্ট্রাকে যাচ্ছি কি না? আমি বললাম, আমি অ্যাপসের মাধ্যমে যাচ্ছি। আমি তাঁর কাছে কী সমস্যা জানতে চাইলে সার্জেন্ট আমার দিকে রাগ-চোখে তাকালেন, মনে হলো আমি বড়ো কোনো অন্যায় করে ফেলেছি। আমি তাঁকে বললাম, আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে—আপনি কোনো অন্যায় দেখলে মামলা করে দ্রুত ছেড়ে দিন। সার্জেন্ট ক্ষিপ্ত হয়ে বললেন, আপনারা নেমে অন্য গাড়ি নিয়ে যান—এই গাড়ি যাবে না। আমি বললাম, এই মুহূর্তে অন্য গাড়ি কোথায় পাব? আর ল্যাগেজপত্র নিয়ে কোথায় যাব? সার্জেন্ট পুলিশ চালককে গাড়ি ঘুরিয়ে তাঁর অফিসের সামনে যেতে বললেন। নিরুপায় চালক তাই করলেন। কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও ১২০০ টাকার মামলা দিয়ে একটি স্লিপ ধরিয়ে দিলেন সার্জেন্ট। আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে এই অন্যায় চোখের সামনে দেখেও কিছুই করতে পারলাম না। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বলব, প্লিজ এভাবে আর হয়রানি করবেন না।
সোয়েব মেজবাহউদ্দিন, মোহাম্মদপুর, ঢাকা