শৈলকুপা লাঙ্গলবাঁধ সড়ক

সংস্কারের অভাবে খানাখন্দ ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

ঝিনাইদহের শৈলকুপা লাঙ্গলবাঁধ সড়ক জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সড়কটি সংস্কারের অভাবে খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছে এ সড়কে যাতায়াতকারী লোকজন। ১৪ কিলোমিটার লম্বা এ সড়কটি শৈলকুপার সঙ্গে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা ও রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলার সংযোগ স্থাপন করেছে। সড়কটি কাঁচা ছিল। বিগত শতকের ৮০র দশকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সড়কটি পাকা করে। এর পর সড়কটির দায়িত্ব নেয় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। শৈলকুপা থেকে শেখপাড়া সড়কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হয়। এ সড়কের ওপর পাইকপাড়া ও ধাওড়া গ্রামীণ বাজার রয়েছে। চলাচল করে মনোহরপুর ও ধললহরাচন্দ্র ইউনিয়নের মানুষ। লাঙ্গলবাঁধ একটি বিখ্যাত বাজার। এটি ঝিনাইদহ, মাগুরা ও রাজবাড়ি জেলার সীমান্তে অবস্থিত। কৃষকরা উত্পাদিত কৃষিপণ্য এ সড়ক দিয়ে ভ্যান আলমসাধু যোগে শৈলকুপা ও লাঙ্গলবাঁধ হাটে নিয়ে বিক্রি করে থাকে। সড়কটিতে এমন খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে যে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এর আগে দায়সারাভাবে মেরামত করেছে। মেরামতের পর কিছুদিন না যেতেই গর্তের সৃষ্টি হয়। সড়কের আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষের অভিযোগ মেরামত কাজে কারচুপির জন্য এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ইজিবাইক চালক সত্যজিত্ বিশ্বাস বলেন, শৈলকুপা লাঙ্গলবাঁধ সড়কটি বেহাল দশা হয়েছে। গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝেমধ্যে উলটে যায়। পাইকপাড়া গ্রামবাসী সেকেন্দার বিশ্বাস বলেন, মাঝেমধ্যে সড়কটি মেরামত করা হয়। কিছুদিন না যেতেই খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এদিকে ঝিনাইদহ কুষ্টিয়া মহাসড়কের ভাটই, গাড়াগঞ্জ, চুড়ুইবিল ও শেখপাড়া বাজার এলাকাতে হাঁটু সমান গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে বাস, ট্রাক চলাচল করছে। মাঝেমধ্যে ইট ফেলে গ্যাটিস দেওয়া হয়। দুদিন না যেতেই পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দার রাস্তার বেহাল দশার কথা স্বীকার করে বলেন, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ঝিনাইদহ অংশের মেরামত কাজের টেন্ডার হয়ে গেছে। শিগগিরই মেরামত কাজ শুরু হবে। শৈলকুপা লাঙ্গলবাঁধ সড়ক মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো সড়কটি ভেঙে নতুনভাবে নির্মাণের একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে।