গীতিনাট্য দুর্গতিনাশিনী দুর্গায় মুগ্ধ দর্শক

তখন মধ্যরাত। মঞ্চায়িত হচ্ছে গীতিনাট্য দুর্গতিনাশিনী দুর্গা। দুর্গার হাতে যখন অসুর দমন হয়, তখন শ্রোতা-দর্শক সবার মধ্যে পিনপতন নীরবতা। অসুরের বিরুদ্ধে, অকল্যাণের বিরুদ্ধে দুর্গা তখন সবার চোখে প্রতিরোধ ও কল্যাণের প্রতীক হয়ে ওঠেন। গত সোমবার মহানবমীর রাতে এ আয়োজনটি ছিল মৌলভীবাজারের বড়লেখা সদরের হাটবন্দ শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে।

গীতিনাট্য দুর্গতিনাশিনী দুর্গায় মুগ্ধ দর্শক। গীতিনাট্যের দর্শক ছালেহ আহমদ জুয়েল জানালেন, গীতিনাট্যটি সকলকে অনুপ্রাণিত করেছে। মুগ্ধ করেছে।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে মহানবমীর রাত ৯টায় ‘দুর্গে, দুর্গে দুর্গতিনাশিনী...মহিষাসুর মর্দিনী’ গানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির এলাকায় সন্ধ্যা থেকে ভক্ত শ্রোতাদের ভীড় জমে। মধ্যরাতে শুরু হয় গীতিনাট্য দুর্গতিনাশিনী দুর্গা। শেষ হয় গভীর রাতে। নজরুল একাডেমি বড়লেখার শিল্পীরা এই গীতিনাট্য পরিবেশন করে। গীতিনাট্যটি পরিচালনা করেন নজরুল একাডেমি বড়লেখার নৃত্য পরিচালক দেলোয়ার হোসেন দুর্জয়।

আয়োজকদের একজন লিটন পাল বলেন, ‘আমরা প্রতি বছর অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান চলে।’

এর আগের দিন এখানে গান পরিবেশন করে শ্রীমঙ্গলের টিউনস ব্যান্ড দল ও বড়লেখার ব্যান্ডদল ব্ল্যাক হোলসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন। উল্লেখ্য, এবার বড়লেখা উপজেলায় মোট ১৫৩টি মণ্ডপে পূজা হয়েছে।