মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আজ থেকে

দেশের অভ্যন্তরীণ নদ-নদী ও বঙ্গোপসাগরে আজ ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত (২২ দিন) মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রেঞ্জ ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম ইত্তেফাককে জানান, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশসহ সব ধরনের ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সরকারের এই আদেশ অমান্য করে ইলিশ মাছ আহরণ ও বিক্রি করলে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে। ২২ দিন ইলিশ রক্ষায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ডিআইজি বলেন, জেলা ও উপজেলা মত্স্য দপ্তর, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ, থানা পুলিশ, এপিবিএনসহ অসংখ্য টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে। কোথাও কেউ আইন ভঙ্গ করলেই সঙ্গে সঙ্গে তাকে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই অভিযান রাতেও পরিচালনা করা হবে। অবৈধপথে ইলিশ পাচার রোধেও নৌপুলিশের টহল জোরদার থাকবে।

মা ইলিশ রক্ষায় বাংলাদেশ মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মত্স্য-২ অধিশাখার ঘোষণা আসার পর থেকেই ব্যাপক তত্পরতা শুরু করেছে জেলা মত্স্য দপ্তর। জনসচেতনতা তৈরি করতে ইতিমধ্যে লিফলেট বিতরণ, পোস্টারিং, মাইকিংসহ নানাভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। মত্স্য অধিদপ্তরের মত্স্য কর্মকর্তা (ইলিশ) ড. বিমল চন্দ্র দাস বলেন, প্রজনন বৃদ্ধিতে ইলিশ ধরা, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুতের ওপর টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। এজন্য ইতিমধ্যে তারা লিফলেট বিতরণ, পোস্টারিং, মাইকিংসহ ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন। তাছাড়া এ সময় তালিকাভুক্ত জেলে প্রত্যেকে পাবেন ২০ কেজি করে চাল। বিভাগীয় মত্স্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আজিজুর রহমান জানান, বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯৪৩ জন জেলে চাল বরাদ্দের সুবিধা পাবেন। আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে জেলেদের মধ্যে চাল বিতরণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।