সোনারগাঁওয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গার্মেন্টসকর্মী। এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টস কর্মীর বাড়ি রূপগঞ্জ উপজেলায়। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, রূপগঞ্জের রবিন টেক্স নামক গার্মেন্টসে চাকরি করেন তিনি। প্রতিদিনের ন্যায় গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে গার্মেন্টস ছুটির পর গাউসিয়া যাওয়ার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। এসময় সামনের সিটে বসা জাহাঙ্গীর কিছুদূর যাওয়ার পর অটোরিকশা চালককে জোরপূর্বক গাড়ি তালতলার দিকে নিয়ে যেতে বলে। এসময় তিনি (গার্মেন্টস কর্মী) বাধা দিলে তার মুখ স্কচটেপ দিয়ে বন্ধ করে জাহাঙ্গীর তাকে সোনারগাঁ থানাধীন ব্রামনবাওগা এলাকার জনৈক আ. হালিমের দোচালা টিনের ঘরে নিয়ে যায়। ঐ ঘরে আবু সাঈদ, মজিবুর রহমান, ইমরান, রনি মিয়া, আবুল হোসেন, মাসুদ, আরিফ ও জাহাঙ্গীর তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাত ৩টার দিকে বাড়ির মালিক আ. হালিম এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টস কর্মী সোনারগাঁও থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তালতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ আহসান উল্লাহ তাত্ক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আবু সাঈদ, রনি মিয়া, আবুল হোসেন, মাসুদ, জাহাঙ্গীরসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেন।