চট্টগ্রামে চার ফ্লাইওভারের দায়িত্ব পেল সিটি করপোরেশন

সালাহউদ্দিন মো. রেজা, চট্টগ্রাম অফিস

চট্টগ্রাম মহানগরীতে নির্মিত ৪টি ফ্লাইওভারের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে।

গতকাল বুধবার আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিডিএ কর্তৃক নির্মিত এই চারটি ফ্লাইওভার রক্ষণাবেক্ষণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নিকট হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। জানা যায়, সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা, আলোকসজ্জা, নিরাপত্তাসহ সর্বসাধারণের তথা যানবাহন সুষ্ঠু চলাচলের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে। গতকালের বৈঠকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন এবং সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষসহ উভয় সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

২০১০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নগরীতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কর্তৃক এই ৪টি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়। সিডিএ কর্তৃক ফ্লাইওভারগুলো বিভিন্ন সময় নির্মিত হলে ফ্লাইওভারসমূহ রক্ষণাবেক্ষণসহ এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় ফ্লাইওভারগুলোর বিভিন্ন অংশের রেলিং, ডিভাইডারসহ স্টিল ও লোহার পাইপ চুরি হয়ে যায়।

নগরীতে নির্মিত ফ্লাইওভারসমূহের প্রয়োজনীয়তা এবং নির্মাণের ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা যাচাই যথাযথ হয়নি বলে চট্টগ্রামের নগর পরিকল্পনাবিদগণ বিভিন্ন সময় অভিযোগ উত্থাপন করে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। শুধুমাত্র সিডিএ’র তত্কালীন চেয়ারম্যান তার দীর্ঘদায়িত্ব পালনকালীন অনেকটা একক সিদ্ধান্তে ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কয়েকটি ফ্লাইওভার নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে নগর পরিকল্পনাবিদদের ন্যায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও দ্বিমত পোষণ করতে দেখা যায়।

ফ্লাইওভারগুলোর মধ্যে প্রথমে নির্মিত হয় বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার। নগরীতে দ্বিতীয় ফ্লাইওভারটি কদমতলী এলাকায় নির্মিত হয়। নগরীর দেওয়ানহাট মোড়ের ওপর দিয়ে নির্মিত ফ্লাইওভারটি মূলত ওভারপাস হিসেবে ব্যবহূত হয়। সর্বশেষ নগরীর মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার মোড় পর্যন্ত আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার নির্মিত হয়।