শেখ হাসিনা কোটালিপাড়ায় জনসভার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করছেন আজ

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামছেন। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী তার বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন। সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে রওনা হবেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে। নির্বাচনী প্রচারণার বহর নিয়ে সড়ক পথে মুন্সিগঞ্জ হয়ে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছাবেন দুপুর ১২টায়। দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহাপাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেবেন। এরপর দুপুর আড়াইটায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ লুত্ফর রহমান সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এছাড়াও তিনি কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ওইদিন রাতে শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ার বাড়িতে রাত্রিযাপন করবেন।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়া থেকে ফরিদপুর হয়ে সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড়, ফরিদপুর মোড়, পাটুরিয়া ঘাট, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, ধামরাই রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ও সাভার বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। এসব সমাবেশে তিনি দলীয় প্রতীক নৌকার পক্ষে ভোট চাইবেন।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রচারের দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী পুণ্যভূমি সিলেট সফরে যাবেন। সেখানে হযরত শাহজালাল (রা.) এবং হযরত শাহ পরানের (রা.) মাজার জিয়ারতের পর সিলেট বিভাগে নির্বাচনী প্রচারে নামবেন। 

এরপর উত্তরবঙ্গে চার জেলা-বিভাগীয় শহর সফর করবেন শেখ হাসিনা। সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর ও দিনাজপুরে হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রামসহ বেশ কয়েকটি জেলা সফর করবেন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার গোপালগঞ্জ-৩ ছাড়াও শ্বশুরবাড়ি রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে তিনি রংপুরের আসনটি স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ছেড়ে দেন।