কবি আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন চেতনাবোধ জাগ্রত করার কবি

কবি আবদুল হাই মাশরেকী মানুষের জীবন চিত্র রূপকার যেমন ছিলেন তেমনই জীবন সংস্কার ও চেতনাবোধ জাগ্রত করার জন্য তিনি কাব্য রচনা করে গেছেন। এই কবির গান ও কবিতা সহজেই সাধারণ মানুষেরা ধারণ করতে পারে বলেই তিনি প্রকৃতির কবি, মানুষের কবি। গত সোমবার কবি আবদুল হাই মাশরেকীর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর পুরানা পল্টনে মাসিক জনপ্রশাসন পত্রিকার কার্যালয়ে কবি আবদুল হাই মাশরেকী গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে স্মরণ সভায় বক্তারা একথা বলেন। বক্তারা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাঠাগার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও রাস্তার নামকরণের দাবি জানান।

ড. এস এম আফসারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ বেলায়েত হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান সাহিত্যিক মো. জাকির হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্লোরিয়া কিশলয় কচিকাঁচার মেলার যুগ্ম পরিচালক আবু তাহের বকুল, ইত্তেফাকের সিনিয়র সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ আল-মামুন। কবির সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা করেন কবি মাহবুবা লাকী, আজিজুল হাই সোহাগ, কবি ইয়াদী, কবি সাইদ খান, কবি আঞ্জুমান আরা রিমা, কবি হামিদ কাফি, কবি ছবি হরিদাস প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন নজরুল, জীবনানন্দের মতো জীবন সংগ্রামী। এই কবির গান ও কবিতা সহজেই সাধারণ মানুষেরা ধারণ করতে পারে বলেই তিনি প্রকৃতির কবি, মানুষের কবি।