জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেছেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা আশা করি পুঁথি সংগ্রাহক এবং লোকসাহিত্যসহ বহু বিষয়ের গবেষক হিসেবে তার অবদান যথাযোগ্য স্বীকৃতি লাভ করবে।
বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান গবেষক আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের ১৪৮তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমি আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে একক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। সাহিত্যবিশারদের লোকসাহিত্য-চর্চা শীর্ষক বক্তৃতা প্রদান করেন রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, অধ্যাপক নেহাল করিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির কর্মকর্তা মাহবুবা রহমান।
অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ কেবল পুঁথি সংগ্রাহক ছিলেন না, লোকসাহিত্যচর্চায়ও তার অবদান স্মরণযোগ্য। যদিও পুঁথি সংগ্রহ ও ইতিহাসচর্চার আড়ালে তার এই দিকটি অনালোচিত থেকে গেছে। হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, রক্ষণশীল সামাজিক পরিবেশের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ তার একজীবনের শ্রম ও সাধনায় বিপুলসংখ্যক পুঁথি সংগ্রহ করেছেন, পাঠোদ্ধার সম্পন্ন করেছেন।
‘বঙ্গবন্ধু :জীবন থেকে চিত্রপটে’ শিরোনামে আর্টক্যাম্প
২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর রচিত গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং ‘কারাগারের রোজনামচা’ অবলম্বনে ‘বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে চিত্রপটে’ শিরোনামে দেশের ১০০ জন বিশিষ্ট শিল্পীর ১০০টি শিল্পকর্ম নির্মাণের লক্ষ্যে আর্টক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ও চারুকলা প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে এ আর্ট ক্যাম্প। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গ্রন্থ দুটির ওপর পর্যালোচনামূলক বক্তব্য প্রদান করবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ এবং বিশিষ্ট ফোকলোরবিদ ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সভাপতি ড. শামসুজ্জামান খান।