চুনারুঘাটে কিশোরী তামান্না আক্তার হত্যার ঘটনায় আটক আলমগীর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে হত্যার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আলমগীর জানায়, চাচাতো বোন তামান্নার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে আলমগীর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তামান্নাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। গত মঙ্গলবার দুপুরে সে তামান্নাকে একটি ছড়ার কাছে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে আলমগীর তামান্নাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে উল্লেখিত বর্ণনা দেয় আলমগীর।
উল্লেখ্য, ঐ উপজেলার দুধপাতিল গ্রামের জনৈক আব্দুল হান্নানের মেয়ে তামান্নার (১৪) লাশ গত মঙ্গলবার মুহুরির ছড়া নামক এলাকা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে তামান্নার পিতা বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ আলমগীরকে পর দিন রাতে বাহুবল উপজেলার চণ্ডছড়ি গ্রামে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে আটক করে।