বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টার পয়েন্টের তথ্যমতে, ২৫ শতাংশেরও বেশি মার্কেট শেয়ার নিয়ে পরিমাণের ভিত্তিতে স্যামসাং এক নম্বর স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠান। এর পাশাপাশি ৪৩ শতাংশেরও বেশি মার্কেট শেয়ার নিয়ে অর্থমূল্যের ভিত্তিতেও এক নম্বর স্মার্টফোন ব্র্যান্ড স্যামসাং।
ফেয়ার গ্রুপের চিফ মার্কেটিং অফিসার মেসবাহউদ্দিন বলেন, বর্তমানে বাজারে যে স্যামসাং স্মার্টফোন পাওয়া যায়, তার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশই দেশে উত্পাদিত। গত এক বছরে দেশের কারখানায় ১৫ লাখ সেট উত্পাদন হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে ফ্লাগশিট ও নোট সিরিজ এখানে উত্পাদিত হতে যাচ্ছে। ট্যাব তৈরিরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী বছরেই এগুলো বাজারে পাওয়া যাবে। এখন ১২০ দিনের ওয়ারেন্টি দেওয়া হচ্ছে। কেউ চাইলে এটা বাড়িতে দুই/তিন বছরের ওয়ারেন্টিও করে নিতে পারবেন। এক হাজার শ্রমিক বর্তমানে স্যামসাংয়ের কারখানায় কাজ করছে। এর মধ্যে ৩০ শতাংশই নারী। তাদের বিদেশে প্রশিক্ষণে পাঠানো হচ্ছে। এই মুহূর্তে স্যামসাং-এর কারখানায় ৫০ জন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার কাজ করছেন।
সম্প্রতি তরুণদের কাছে আরো বেশি স্মার্টফোন পৌঁছাতে এবার কিস্তিতে কেনার সুযোগ দিতে যাচ্ছে স্যামসাং। কোনো ডাউন পেমেন্ট ছাড়াই বছরব্যাপী কিস্তিতে এই ফোন কেনার সুযোগ পাবেন তরুণরা। বাংলাদেশে সংযোজনের এক বছর উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব। বিশ্বে কোথাও স্যামসাং এই ধরনের সুযোগ না দিলেও বাংলাদেশে অনুমোদন দিয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে স্যামসাং-এর সকল শোরুমে এই সুযোগ মিলবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।