লাল-সবুজের ফেরিওয়ালা

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম):

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিজয়ের মাসে লাল-সবুজের পতাকা ফেরি করে বেড়াচ্ছেন কয়েকজন তরুণ। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক ও ৬টি ইউনিয়নের হাট-বাজারগুলোতে লাল-সবুজের পতাকা ফেরি করতে দেখা গেছে তাদের। বিভিন্ন আকারের ছোট-বড় পতাকাসহ শিশুদের রাবার, ফিতাও বিক্রি করছেন তারা। এসবের মধ্যে হাতে রাখার মতো ছোট আকারের লাল-সবুজের কাগজের পতাকা চাহিদা বেশি। আকার ও উপকরণ ভেদে এসব পতাকা তৈরির খরচ একেক রকম। বড় পতাকা ১০০ থেকে ২০০ টাকা ও ছোটদের মিনি পতাকা ১০ থেকে ২০ টাকা বিনিময় মূল্যে পাচ্ছেন ক্রেতারা। এসব ফেরিওয়ালারা প্রতি বছরের ২১ শে ফেবু্রয়ারি, ২৬ শে মার্চ ও ১৬ ই ডিসেম্বর আসলেই উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাগুলোতে এসব লাল-সবুজের পতাকাসহ বিভিন্ন উপকরণ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তারা বছরে এই তিন মাসের আয়-রোজগার দিয়েই কয়েকটি মাস চলেন বলে জানান। লালমনিরহাট সাপটানা এলাকা পতাকার ফেরিওয়ালা নুর-জামাল জানান, পেশাটা আমার জন্য অনেক গর্বের। মুক্তিযোদ্ধারা দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছে। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই লাল-সবুজের পতাকা। পতাকা ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যাপার না। আমরা যারা পতাকা ফেরি করি তারা পতাকা তৈরির উপকরণের খরচের পর কিছু বাড়তি অর্থ পেলেই আগ্রহীদের হাতে পতাকা তুলে দেই। আমি এভাবে দীর্ঘ পনের বছর ধরে সবার হাতে পতাকা তুলে দিতে চেষ্টা করছি। শুধুই নুর-জামালেই নয় এই পেশার সঙ্গে আরো যুক্ত হয়েছেন কুড়িগ্রাম সদরের তরুণ বয়সের ফেরিওয়ালা মাসুদ রানা, ফারুক হোসেন ও সুজন মিয়া            —অনিল চন্দ্র রায়