বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে স্কিপিং দড়ি দিয়ে পেটানোর কথা স্বীকার করেছেন হত্যা মামলায় রিমান্ডে থাকা বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ। গতকাল মুজাহিদকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হলে মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
আদালতের পেশকার জাহিদ হাসান বলেন, মুজাহিদ অপরাধে সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ নিয়ে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত চার জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য তিন জন হলেন বুয়েট ছাত্র ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিওন ও অনিক সরকার।
বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মুজাহিদ বুয়েট ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। আবরার খুন হওয়ার পরপরই যে ১০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল, তাদের মধ্যে মুজাহিদ একজন।
মুজাহিদ স্বীকারোক্তিতে বলেছে, ‘আবরারকে আমিও স্কিপিং দড়ি দিয়ে পিটিয়েছি। তবে আবরারকে স্টাম্প দিয়ে সবচেয়ে বেশি পিটিয়েছে অনিক সরকার। এছাড়া রবিন ও সকালসহ অন্যরাও কমবেশি চর-থাপ্পড় ও মারধর করেছে।’
উল্লেখ্য, ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার নির্যাতনে (২১) মারা যান। এ ঘটনায় তার বাবা ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি পরে ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। মামলায় এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত ১৫ জনসহ ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।