ভারতই চাপে থাকবে

জামাল ভুঁইয়া

 স্পোর্টস রিপোর্টার, কলকাতা থেকে

বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভুইয়া মনে করেন, নিজ মাঠ ও দর্শকদের কারণে আজ ভারতই চাপে থাকবে বেশি। অপরদিকে কোচ জেমি ডে জানিয়েছেন, এ লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত তার দল। গতকাল ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তারা।

কলকাতার টেংরা এলাকায় জেডব্লিউ ম্যারিয়ট হোটেলে বাংলাদেশ। এখান থেকে ট্যাক্সিতে মিনিট দশেকের পথ কলকাতার নতুন শহর, নিউ টাউন। সেখানে নভোটেল হোটেলে আছে ভারতীয় ফুটবল দল। এই হোটেলেই হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। বাংলাদেশ-ভারতের খেলাটি নিয়ে ভারতীয় এক সাংবাদিক বলছিলেন, ‘বাংলাদেশ খেলবে ১১ জন নিয়ে আর ভারতেরও ১১ জন, সঙ্গে শক্তি জোগাবে ৬০ হাজার দর্শক। যদি বাংলাদেশের ১১ জন জিতে যায়, তাহলে মানসম্মান সবই যাবে রে।’

ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের ফুটবল অনেক পিছিয়ে। একসময় কাছাকাছি থাকলেও ফিফার র্যাংকিংয়ে এখন ভারত ১০৪ এবং বাংলাদেশ ১৮৭ নম্বরে। কাতারের সঙ্গে ড্র করে ভারতীয় দল বলেছিল, বাংলাদেশকে উড়িয়ে দেবে। দুই দেশের ফুটবল লড়াইয়ে বাংলাদেশ চাপে থাকবে এমন প্রশ্ন উঠলে জামাল ভুইয়া বলেন, ‘আমরা নই, উলটো ভারত চাপে থাকবে। আমরা ১১ জন থাকব, ভারতেরও ১১ জন। পেছনে শক্তি দেবে দর্শকরা। আমাদের কেউ থাকবে না। তাই আমরা এখানে চাপে থাকব না। ভারত চাপে থাকবে।’

বাংলাদেশ-ভারতের লড়াই খেলোয়াড়দের পাশাপাশি দুই দলের কোচেরও। ডাগআউটে দাঁড়িয়ে লড়বেন বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ জেমি ডে ও ভারতের ক্রোয়েশিয়ান কোচ ইগর ইস্তমাচ । মনস্তাত্ত্বিক লড়াই হবে দুজনের। সংবাদ সম্মলনে কথাটা শুনেই হেসে দিলেন জেমি ডে। তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হলো, সল্ট লেকের মাঠে দুই বছর আগে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনাল হয়েছিল। ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়। জেমি ডে সেটা শুনেই বললেন, ‘এটা আমার জন্য বাড়তি প্রেরণা।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম কটাক্ষ করেছিল বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে। জেমি তার জবাবে বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবল-কাঠামো ভালো। নিয়মিত লিগ হচ্ছে। একাডেমি আছে, খেলোয়াড় গড়ে উঠছে। পেশাদারি প্রথায় চলছে। যে দলটি নিয়ে কলকাতায় এসেছি, সেখানে ভালো ভালো ফুটবলারও আছে। আমি জানি, আজকে কঠিন ম্যাচ হবে ভারতের বিপক্ষে। আমরা প্রস্তুত আছি।’ এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় অধিনায়ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সুনীল গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার।’