পাবনায় ছাত্রী সংস্থার ১৩ ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৫ সদস্য আটক

পাবনায় গোপন বৈঠক চলাকালে  রবিবার রাতে শহরের মনসুরাবাদ আবাসিক এলাকা থেকে ১৩ নারী সদস্যসহ এক মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে আটক করেছে পুলিশ। একই দিন বেড়া ও সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে র্যাব-১৪ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে পাঁচ যুবককে আটক করে। র্যাবের দাবি আটককৃতরা সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছিম আহম্মেদ সোমবার  জানান, সাঁথিয়া উপজেলার ধুলাউড়ি কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আনোয়ার হোসেনের মালিকানাধীন মনসুরাবাদ আবাসিক এলাকার ৫ নম্বর সড়কের ১১৯ নম্বর দ্বিতল বাড়িটির নিচ তলায়  নারী সদস্যদের আস্তানা ছিল। এখান থেকে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সদস্যরা মেয়েদের সংগঠিত এবং নাশকতার ছক পরিচালনা করতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ রবিবার রাত ১০টার দিকে বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং সেখানে বৈঠকরত অবস্থায় ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ১৩ নারী সদস্য এবং বাড়ির মালিক অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনকে আটক করে। আস্তানা থেকে বিপুল সংখ্যক জিহাদি বই, সদস্য সংগ্রহের বিপুল পরিমাণ ফরম, জঙ্গি কাজে ব্যবহারের জন্য কর্মীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায়ের রশিদ ও আদায়কৃত নগদ অর্থ , জঙ্গি কাজে ব্যবহূত ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, সাংগঠনিক বই, রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন ধরনের লিফলেট উদ্ধারপূর্বক  জব্দ করা হয় । আটককৃতদের অধিকাংশই পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রী।

এদিকে র্যাব-১৪ ময়মনসিংহের একটি দল বেড়া ও সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের পাঁচ যুবককে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো, সাঁথিয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের রুহুল আমিন, বেড়া উপজেলার ঘাটিগাড়া গ্রামের ওয়াজেদ আলী (৩০), একই উপজেলার  সম্ভুপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদ, ছোটো পায়রা গ্রামের মো. আব্দুল্লাহ ও একই গ্রামের মিজান হোসেন।

র্যাব-১৪ এর বরাত দিয়ে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, এরা সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য। আটকের পর তাদের বেড়া থানায় হস্তান্তর এবং  মামলা দায়ের করা হয়েছে।