আবার উইন্ডিজের কোচ সিমন্স

স্পোর্টস রিপোর্টার

সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত ভিন্নতার কথা বলে, মূলত বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে ২০১৬ সালে এই ফিল সিমন্সকে বিতাড়িত করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড (সিডব্লিউআই)। এর মধ্যে বোর্ডে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। নতুন বোর্ড খেলোয়াড়দের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই চলছে। এবার খেলোয়াড়দেরই পছন্দের সেই সিমন্সকেই আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আগামী চার বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সিমন্সকে। তিনি ছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ হওয়ার জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন ডেসমন্ড হেইন্স ও ফ্লয়েড রেইফার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতার ছয় মাসের মধ্যে সিমন্সকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে বরখাস্ত করার কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, ‘সাংস্কৃতিক ও কৌশলগতভাবে ভিন্ন মানসিকতা’।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দায়িত্ব ছাড়ার পরও সফল হয়েছেন সিমন্স। আফগানিস্তানকে নিয়ে গিয়েছিলেন ২০১৯ বিশ্বকাপে। এ ছাড়া বারবাডোজ ট্রাইডেন্টসকে এই রবিবারেই ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতিয়েছেন। এর মধ্যে সিমন্স আয়ারল্যান্ড দলকেও কোচিং করিয়েছেন।

সিডব্লিউআইয়ের সভাপতি রিকি স্কেরিট বলেছেন, তারা কেবল অতীতের ভুল সংশোধনের জন্য সিমন্সকে ফিরিয়ে আনেননি। তিনি মনে করেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের দায়িত্ব পালনের জন্য সিমন্সই এখন সবচেয়ে যোগ্য মানুষ, ‘ফিল সিমন্সকে ফিরিয়ে আনার অর্থ শুধু এই নয় যে, আমরা অতীতের একটা ভুলকে সংশোধন করলাম। বরং আমি মনে করি, সিডব্লিউআই একেবারে সঠিক লোকটিকে সঠিক সময়ে বেছে নিয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে কাজ করা ফ্লয়ের রেইফারকেও আমি ধন্যবাদ দিতে চাই।’

সিডব্লিউআইয়ের পরিচালক জিমি অ্যাডামস, যিনি এই কোচ বেছে নেওয়া কমিটির সদস্য ছিলেন, তিনি বলেছেন সিমন্সকে বেছে নিতে পেরে তারা খুশি, ‘আমি খুব খুশি যে, বিস্তারিত একটা নিয়োগপ্রক্রিয়ার পর আমরা ফিলকে প্রধান কোচ হিসেবে বেছে নিতে পেরেছি। আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, ফিল এই দলে প্রয়োজনীয় নেতৃত্বগুণ যোগ করতে পারবে এবং তার অভিজ্ঞতা আমাদের আন্তর্জাতিক সাফল্য এনে দেবে। আমি তাকে এই ভূমিকায় সমর্থন দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি।’