নেত্রকোণা জেলার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে তিনজনের ওপর স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ পেয়েছে। তাঁরা হলেন বর্তমান দুর্গাপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী এবং নেত্রকোণা মহাবিদ্যালয়ের দর্শন শাস্ত্রের অধ্যাপক ও মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক সংগঠক অধ্যাপক আরজ আলী, মোহনগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যাপক ফজলুর রহমান খান এবং কেন্দুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী তত্কালীন পিরোজপুর মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান আহমেদ। তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে কদাচিত্ তাঁদের নাম উচ্চারিত হতে শোনা যায়। অথচ তাঁদের মতো দেশপ্রেমিক ব্যাক্তিত্বের স্মৃতি আলোকিত সমাজ গঠনের প্রয়োজনে চিরভাস্বর করে রাখা অতীব প্রয়োজন। নেত্রকোনায় নেই তাঁদের নামে কোনো স্মারক-স্থাপনা। যদিও শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ সকল শহীদের নামে বিভিন্ন স্থাপনার নামকরণের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা রয়েছে। ইতিমধ্যে নেত্রকোণা সদরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়’ এবং ‘নেত্রকোণা মেডিক্যাল কলেজ’। অত্যাবশ্যকীয়ভাবেই এ দুটি প্রতিষ্ঠানে নির্মিত হবে বিভিন্ন ভবন, হোস্টেল ও মিলনায়তন। এ অবস্থায়, উল্লিখিত তিন শহীদ বুদ্ধিজীবীর নামে ঐ দুটি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নামকরণের ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. রফিকুল ইসলাম
সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি,
সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয়,
দুর্গাপুর, নেত্রকোণা