বিডিনিউজ
ভারতের বিরুদ্ধে জয় বঞ্চিত হলেও খেলোয়াড়রা দুর্দান্ত খেলেছে জানিয়ে বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ দল গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকায় ফিরে আসে। এ সময় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্মকর্তারা পুরো দলকে ফুলের সংবর্ধনা দেন।
কোচ জেমি ডে ও ভারতের বিরুদ্ধে গোল দেওয়া উইঙ্গার সাদ উদ্দিন কথা বলেন উপস্থিত গণমাধ্যমের সঙ্গে।
বাংলাদেশ কোচ জেমি বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা খুবই ভালো খেলেছি। সব কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের। তারা গেম প্লেন অনুযায়ী খেলতে পেরেছিল এবং কঠিন পরিবেশ পরিস্থিতির মধ্যেও ব্যতিক্রমীভাবে ভালো খেলেছে। জয়ের জন্য অগ্রগামিতা ধরে রাখতে পারিনি বলে আমরা হতাশ হই। তারপরও আমি খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দেই। কারণ তারা ছিল সে ফ দারুণ।’
জেমি ডে অবশ্য মনে করেন এই ড্রটা ন্যায্য হয়েছে। কারণ তারাও সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু আমাদের ইতিবাচক দিকগুলো দেখতে হবে। আমি মনে করি অনেক ইতিবাচকতা আছে যেটা আমরা ম্যাচটি থেকে নিতে পারি।’
তিনি এও মনে করেন যে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে ব্যাপারটা দারুণ হতো। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা বেশকটি সুযোগ পাই। দ্বিতীয় গোলটি পেলে দুর্দান্ত হতো যা গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আমি মনে করি সেটা হলে খেলাটি সেখানেই শেষ হয়ে যেত। কিন্তু তারাও ভালোভাবে রক্ষণ সামলেছে।’
তার মতে খেলাটিতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ফুটবলাররা ইতিবাচক মনোভাব ও জয়ের দারুণ আকাঙ্ক্ষা দেখিয়ে খেলেছে। তারা কঠিন পরিশ্রম করেছে। আমি তাদের যা করতে বলেছি তারা সবই করেছে। এমনকি বেশিই করেছে। এরকম নৈপুণ্যের জন্য আমি তাদের যথেষ্ট প্রশংসা না করে পারি না।’
অপরদিকে সাদ উদ্দিন জানান, তারা মাঠেই নেমেছিলেন জয়ের জন্য। নিজের গোল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুযোগ পেয়েই আমি সেটিকে গোলে পরিণত করি। এই সাদ উদ্দিনই কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের মাঠে গত বুধবার রাতে খেলার ৪২তম মিনিটে অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়ার ফ্রি কিকে মাথা ছুঁইয়ে গোলটি করেছিলেন। এরপর দেশের দলটি ভারতের বিরুদ্ধে প্রায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু ৮৮ মিনিটে আদিল খানের হেডে গোল করে সমতা ফেরায় ভারত।