সোনারগাঁওয়ে পূজামণ্ডপে হামলা গাড়ি ভাঙচুর

সোনারগাঁ উপজেলার গাবতলী এলাকায় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মী পূজামণ্ডপে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১০ জন আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকাবাসী ও পূজামণ্ডপ কমিটির সদস্যরা জানান, লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষ্যে উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে জামপুর ইউনিয়নের গাবতলী এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক ও স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদের (স্বাচিপ) সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু। এ সময় পূজামণ্ডপে যাওয়া গাড়িবহরে বাধা প্রদান করেন জামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি হুমায়ন কবির, তার ছেলে রুবেল মিয়া, রোমান মিয়া, শ্যালক রিপন মিয়াসহ ২৫-৩০ জনের একটি দল। সন্ত্রাসীরা এ সময় হামলা চালিয়ে চার-পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর এবং লক্ষ্মী প্রতিমা ভাঙচুর করে। এছাড়া তারা যুবলীগ নেতা মোখলেছুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হোসনে, নাফি মিয়া ও জাহিদ হোসেনসহ কমপক্ষে ১০ জনকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। মারাত্মক আহতাবস্থায় তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাওয়ার সময় গাড়িবহরে হামলা ভাঙচুর ও ছাত্রলীগ যুবলীগ নেতাকর্মীদের পিটিয়ে আহত এবং প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, প্রতিমা ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে কেউ মামলা করেনি। উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার ভৌমিক জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।