সুন্দরবনে বিষ দিয়ে গলদা শিকার!

শরণখোলায় সুন্দরবনে বিষ দিয়ে শিকার করা প্রায় দুই মণ গলদা চিংড়ি কেরোসিন দিয়ে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলা সদরের পাঁচরাস্তা এলাকা থেকে এ মাছ  জব্দ করা  হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোররাত ৪টার দিকে পাঁচরাস্তার মোড় থেকে মোটরসাইকেলসহ চিংড়িগুলো জব্দ করা হয়। এ সময় সহব্যবস্থাপনা কমিটির সহসভাপতি মো. ওয়াদুদ আকন উপস্থিত ছিলেন। জব্দকৃত চিংড়ি কেরোসিন দিয়ে উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত চিংড়ির মূল্য আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘সুন্দরবন থেকে শিকার করা জব্দকৃত চিংড়ির ব্যাপারে জড়িতদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দেওয়া হলে তদন্ত করে দেখা হবে।’

মোটরসাইকেল চালক জাহিদুল মৃধা জানান, সাউথখালীর উত্তর তাফালবাড়ি গ্রামের বেল্লাল মোল্লা তার মোটরসাইকেল ভাড়া করে চিংড়িগুলো ইন্দুরকানি মোকামে চালান করতে দিয়েছিল।

উপজেলা কমিউনিটি প্রেট্রোলিং গ্রুপ ও সহব্যবস্থাপনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, মত্স্য ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের দাদন দেওয়া জেলে সোনাতলা গ্রামের রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. নান্না হাওলাদার ও শহিদুল, আলম তালুকদারের ছেলে রুবেল, ছোমেদ মুন্সির ছেলে সুমন ও মিজান, আ. হক মাতুব্বরের ছেলে খলিল ও ইব্রাহিম, সোহরাব মাতুব্বরের ছেলে মিজান ও ইলিয়াস, হজরত খানের ছেলে আমিনুর খান সুন্দরবনে বিষ দিয়ে এ মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িত।