‘আবরার হত্যার পেছনে বুয়েটের ভিসি জড়িত’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় বুয়েটের ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম জড়িত বলে দাবি করে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ছাত্রলীগ ফাহাদকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় ভিসিকে বলা হলেও তিনি হলে আসেননি। কোনো পদক্ষেপও নেননি। ছাত্রটি মারা যাওয়ার পরও আসলেন না। জানাজাতেও আসলেন না। অনেক পরে তিনি কুষ্টিয়াতে গেলেন কবর জিয়ারত করতে। তাই এ পাষণ্ড ভিসির অপসারণের দাবি জানাই।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতৃত্বের ব্যানারে ‘বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে’ আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান ডাকসুর সাবেক ভিপি মান্না। ডাকসুর সাবেক ভিপি আ স ম আব্দুর রব ছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, ডাকসুর সাবেক জিএস বিএনপি নেতা খায়রুল কবির খোকন, এজিএস নাজিম উদ্দিন আলমসহ ডাকসুর সাবেক নেতাকর্মীরা।

মান্না বলেন, আওয়ামী লীগের এজেন্ডা হলো মানুষকে পিটিয়ে মারা। বিরোধীদের দমন করা। বিরোধী মত প্রকাশ করলে তাদের কথা বন্ধ করে দেওয়া। তারা শত কোটি টাকার ঋণের খেলাপি হয়েও নির্বাচনে দাঁড়াতে পারে। আর খালেদা জিয়া মাত্র দুই কোটি টাকা একটা অ্যাকাউন্টে রেখেছেন। যা সুদ-আসল মিলে এখন আট কোটি টাকা। অথচ বিনা কারণে তাকে সাজা দেওয়া হলো। জেলে রাখা হচ্ছে অসুস্থতার মধ্যেও। এমনকি জামিনযোগ্য হলেও দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, ফাহাদ হত্যায় জড়িত ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একদিন শুনতে হবে ১৯ জনের ১৮ জন বেকসুর খালাস। আমরা বিশ্বজিত্ হত্যায় দেখেছি আসামিরা কীভাবে মাফ পেয়ে যায়।

আব্দুর রব বলেন, দেশের জন্য, দেশের জনগণের পক্ষে কথা বলার কারণে বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়েছে।