বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেছেন, দেশের মানুষ এমন অদ্ভুত নির্বাচন আগে কখনও দেখেনি। সহিংসতার মাত্রা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় সেনাবাহিনী দ্রুত মোতায়েন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। আমরা জানতে পেরেছি, ১৫ ডিসেম্বর পরিবর্তন করে সেনা মোতায়েন আগামী ২৩ ডিসেম্বর তারিখ নাকি ধার্য হয়েছে। আমরা শুনতে পেয়েছি এ তারিখটিও আরও পেছানোর ষড়যন্ত্র চলছে। সরকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে নির্বাচনী মাঠ ফাঁকা করার জন্যই সেনাবাহিনী মোতায়েনে বিলম্ব করছে। সরকারের মদদে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যৌথভাবে ধানের শীষের প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর নগ্ন হামলা চলাকালে সেনাবাহিনী মোতায়েনের তারিখ পেছানো ষড়যন্ত্রমূলক। আমি চলমান নির্বাচনী সহিংসতা ও সন্ত্রাস দমনে আজ থেকেই সারাদেশে সেনা মোতায়েনের জোর দাবি জানাচ্ছি। গতকাল দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রিজভী বলেন, যত বাধা হামলা হোক না কেন নির্বাচনী মাঠ থেকে বিএনপিকে সরানো যাবে না। বরং ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাড়ায় পাড়ায়, গ্রামে গ্রামে, ইউনিয়ন ইউনিয়নে, থানায় থানায় সাধারণ জনগণকে নিয়ে বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সকল বাধা অতিক্রম করে নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রাখবেন। রিজভী বলেন, বর্তমানে সারাদেশে আতঙ্কজনক অবস্থা বিরাজ করছে। বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ঘর থেকে বের হলেই হামলা চলছে, ঘরের ভেতর থাকলেও গ্রেফতার করা হচ্ছে, পার্টি অফিস থেকেও গ্রেফতার করছে অপর পক্ষে পুলিশ প্রটোকলে প্রচারণা চালাচ্ছে আওয়ামী প্রার্থীরা।