ইসলাম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আলহাজ জহুরুল ইসলামের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৫ সালের এই দিনে তিনি সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। ১৯২৮ সালের ১ আগস্ট কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। মনেপ্রাণে খাঁটি বাঙালি জহুরুল ইসলাম একাগ্রতা, একনিষ্ঠতা, পরিশ্রম ও সততায় ‘জিরো থেকে হিরো’তে পরিণত হন। গড়ে তোলেন অগণিত প্রতিষ্ঠান। এলাকায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, নার্সিং কলেজ, আফতাব বহুমুখী ফার্ম লি., স্কুল-কলেজসহ অগণিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেন। এসব প্রতিষ্ঠানে বাজিতপুরসহ আশপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ কাজ করছেন। প্রচারবিমুখ এ মানুষটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ‘সুবেদ আলী’ ছদ্মনামে প্রবাসী অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারকে প্রচুর আর্থিক সহায়তা দেন। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ শনিবার সকাল ১১টায় ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল চত্বরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বাজিতপুর সরকারি কলেজ, আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বেগম রহিমা বালিকা বিদ্যালয়, বাজিতপুর হাফেজ আব্দুর রাজ্জাক মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, রাজ্জাকুন্নেসা (আরএন) সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং নাজিরুল ইসলাম কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ে পৃথক পৃথক মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে আজ ইসলাম গ্রুপের সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।