মোছা: আমেনা বেগম চম্পা
প্রধান শিক্ষক
লেতু মন্ডল উচ্চবিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
সুপ্রিয় জেএসসি পরীক্ষার্থীরা কেমন আছ? এবার আমি শুধু শিক্ষক হিসেবে কিছু বলছি না,একজন অভিভাবক হিসেবে বলছি। পরীক্ষা একবারে সামনে মনে হলেই বুকটা ধক করে উঠছে এরকম হচ্ছে কি? নাকি কিছুই মনে হচ্ছে না, ছোট্ট জীবনে একটা পাবলিক পরীক্ষা তোমরা পেরিয়ে এসেছ, এটা আরেকটা।
এরকম জীবনে অনেক পরীক্ষা আসবে চিন্তার কিছু নেই। এই পরীক্ষায় তোমাদের ৯ মাসেই বছর শেষ। অর্থাত্ ৯ মাসের মাঝে তোমরা সব পড়া শেষ করে ফেলেছ। এখন নতুন করে আর পড়ার দরকার নেই ।
একটা রুটিন করে পুরাতনগুলো ঝালাই কর। বারবার নমুনা প্রশ্নগুলো দেখ ও পড়। ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া কর, ঘুমটাও ঠিক নিয়মে হওয়া চাই। জীবনে ভালো ফলাফলই আসল কথা নয়,একমাত্র পরীক্ষা আর পড়া এটা নিয়ে থাকলেই হবে না এর বাইরেও অনেক কিছু করতে হবে, শিখতে হবে দৈনন্দিন জীবনের কাজ কর্মগুলো। জীবন অনেক সুন্দর এটাকে নিয়ে সুন্দর স্বপ্ন দেখতে হবে । তবে এই কয়টা দিন আশেপাশের সব বাদ দিয়ে একটু বেশি মনোযোগ দিয়ে পড়াগুলো শেষ করে একটু আশানুরূপ ফলাফল চিন্তা করতে হবে। তোমাদের সৃজনশীল নৈর্ব্যক্তিক মিলে ৩ ঘণ্টা। নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন সব সময় আগে দিতে চেষ্টা করবে। এমন যেন না হয় নৈর্ব্যক্তিকগুলো তুমি সৃজনশীল লেখার পরে লিখবে চিন্তা করছ । এমন হলে হয়তো নৈর্ব্যক্তিক কমন না পড়লে চিন্তা করার সময় পাবে না। তাড়াহুড়ায় ভুল হবে। নৈর্ব্যক্তিক দু একটা বাদ থাকলে সৃজনশীলের ফাঁকে ফাঁকে দাগাতে পারবে। প্রশ্ন যদি কমন নাও পড়ে তবু বানিয়ে হলেও সব উত্তর দিতে হবে। অনেকেই মনে করে যত বেশি লেখা তত বেশি নম্বর। এটা কিন্তু না, পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে হলে তোমার খাতায় নিজকে ভালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে যে বিষয়গুলো চেয়েছে বিষয়বস্তু নির্ভর উত্তর লিখতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক লিখে খাতা ভরলে পরীক্ষক বিরক্ত হবেন।
এ কয়দিন অবশ্যই মোবাইল গেমস থেকে দুরে থাকতে হবে। সবার ফলাফল আশানুরূপ হোক।
এই কামনা করি।